ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

একটি দিয়ে শুরু করে ৩০টি গরুর মালিক আব্দুল মমিন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিদেশ ফেরত আব্দুল মমিন ২০১৯ সালে প্রথমে একটি গাভী গরু দিয়ে ফয়শাল ডেইরী ফার্মের কার্যক্রম শুরু করেন। গাভীর বাছুর থেকে একটি দুইটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩০ টি গরুর মালিক। যেখানে দৈনিক প্রায় দুইশত লিটার দুধ বিক্রি করে মাসে আয় লাখ টাকার উপরে।

Model Hospital

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মৃত হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে  আব্দুল মমিন (৪৫) ৮ শতাংশ জায়গার উপর গড়ে তোলেন ফয়শাল ডেইরী ফার্ম। দুগ্ধ খামারের চার দিকে বেড়া আর ভিতরের পরিবেশ সুন্দর রাখতে নিয়োজিত রয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। খামারে থাকা এ ৩০ টি গরুর খাবার থেকে শুরু করে পরিচর্যা কাজে এসব শ্রমিকরা দিন রাত নিয়োজিত রয়েছেন।

প্রতিদিন সকাল ও বিকালে দুগ্ধজাত গরু থেকে প্রায় দুইশ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। যা পরবর্তীতে উপস্থিত পাইকারদের কাছে নগদ টাকায় বিক্রি করা হয়। এসব পাইকাররা হাজীগঞ্জ বাজারের হোটেল ও বাসা বাড়িতে হাতে কেটে বিক্রি করে আসছে বলে জানাযায়।

পাইকার রহমতউল্ল্যাহ বলেন, আমি গত ৩/৪ বছর ধরে এ ফয়শাল ডেইরী ফার্ম থেকে দুধ নেই। এতে করে আমাদের পরিবার চলে।

ফার্মে থাকা নিয়োজিত শ্রমিক হুকুম আলী বলেন, আমরা ৩ জন শ্রমিক ৮ ঘন্টা করে ঘাস, খৈল, ভূষিসহ নানা খাবার ও পরিষ্কার পরিচর্যা কাজে নিয়োজিত রয়েছি।

ফয়শাল ডেইরী ফার্মের মালিক আব্দুল মমিন বলেন, প্রবাস থেকে এসে কোন দিক না পেয়ে ২০১৯ সালে আমার এখানে ছোট আকারে ঘর তৈরি করে একটি দুগ্ধজাত গরু দিয়ে কাজ শুরু করি। আস্তে আস্তে খামারে গরু বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩০ টি গরু রয়েছে। প্রিজিয়াম জাতের এসব গরু থেকে দৈনিক প্রায় ২০০ কেজি দুধ হাজীগঞ্জ বাজারে বিক্রি হয়। একাধিক পাইকার রয়েছে যারা ফার্ম থেকে দুধ ক্রয় করে নেয়।

শ্রমিক রয়েছে তিনজন যার পেছনে মাসে প্রায় লাখ টাকা খরচ হয়। এর আগে প্রতিমাসে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আয় থাকতো কিন্তু বর্তমানে খাবারের দাম বৃদ্ধির কারনে লাখ টাকার নিচে আয় নেমে গেছে।

আমার এ ১০ শতাংশ জায়গার উপর ঘরের পরিধি বৃদ্ধি করে শতাধিকের গরু রাখতে কোটি টাকার উপরে পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইদানিং খাদ্যের দাম বাড়ায় ফার্মের পরিধি বৃদ্ধির তেমন পরিকল্পনা নেই। তবে সরকারি ভাবে যদি সহযোগিতা বা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে ঔষধপত্র পেলে আরো লাভের মুখ দেখতে পাবো।

ট্যাগস :

বিশাল মিছিল নিয়ে রাজপথে বুয়েট শিক্ষার্থীরা

একটি দিয়ে শুরু করে ৩০টি গরুর মালিক আব্দুল মমিন

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিদেশ ফেরত আব্দুল মমিন ২০১৯ সালে প্রথমে একটি গাভী গরু দিয়ে ফয়শাল ডেইরী ফার্মের কার্যক্রম শুরু করেন। গাভীর বাছুর থেকে একটি দুইটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩০ টি গরুর মালিক। যেখানে দৈনিক প্রায় দুইশত লিটার দুধ বিক্রি করে মাসে আয় লাখ টাকার উপরে।

Model Hospital

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মৃত হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে  আব্দুল মমিন (৪৫) ৮ শতাংশ জায়গার উপর গড়ে তোলেন ফয়শাল ডেইরী ফার্ম। দুগ্ধ খামারের চার দিকে বেড়া আর ভিতরের পরিবেশ সুন্দর রাখতে নিয়োজিত রয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। খামারে থাকা এ ৩০ টি গরুর খাবার থেকে শুরু করে পরিচর্যা কাজে এসব শ্রমিকরা দিন রাত নিয়োজিত রয়েছেন।

প্রতিদিন সকাল ও বিকালে দুগ্ধজাত গরু থেকে প্রায় দুইশ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। যা পরবর্তীতে উপস্থিত পাইকারদের কাছে নগদ টাকায় বিক্রি করা হয়। এসব পাইকাররা হাজীগঞ্জ বাজারের হোটেল ও বাসা বাড়িতে হাতে কেটে বিক্রি করে আসছে বলে জানাযায়।

পাইকার রহমতউল্ল্যাহ বলেন, আমি গত ৩/৪ বছর ধরে এ ফয়শাল ডেইরী ফার্ম থেকে দুধ নেই। এতে করে আমাদের পরিবার চলে।

ফার্মে থাকা নিয়োজিত শ্রমিক হুকুম আলী বলেন, আমরা ৩ জন শ্রমিক ৮ ঘন্টা করে ঘাস, খৈল, ভূষিসহ নানা খাবার ও পরিষ্কার পরিচর্যা কাজে নিয়োজিত রয়েছি।

ফয়শাল ডেইরী ফার্মের মালিক আব্দুল মমিন বলেন, প্রবাস থেকে এসে কোন দিক না পেয়ে ২০১৯ সালে আমার এখানে ছোট আকারে ঘর তৈরি করে একটি দুগ্ধজাত গরু দিয়ে কাজ শুরু করি। আস্তে আস্তে খামারে গরু বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩০ টি গরু রয়েছে। প্রিজিয়াম জাতের এসব গরু থেকে দৈনিক প্রায় ২০০ কেজি দুধ হাজীগঞ্জ বাজারে বিক্রি হয়। একাধিক পাইকার রয়েছে যারা ফার্ম থেকে দুধ ক্রয় করে নেয়।

শ্রমিক রয়েছে তিনজন যার পেছনে মাসে প্রায় লাখ টাকা খরচ হয়। এর আগে প্রতিমাসে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আয় থাকতো কিন্তু বর্তমানে খাবারের দাম বৃদ্ধির কারনে লাখ টাকার নিচে আয় নেমে গেছে।

আমার এ ১০ শতাংশ জায়গার উপর ঘরের পরিধি বৃদ্ধি করে শতাধিকের গরু রাখতে কোটি টাকার উপরে পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইদানিং খাদ্যের দাম বাড়ায় ফার্মের পরিধি বৃদ্ধির তেমন পরিকল্পনা নেই। তবে সরকারি ভাবে যদি সহযোগিতা বা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে ঔষধপত্র পেলে আরো লাভের মুখ দেখতে পাবো।