ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর শহরের পশ্চিম নাজির পাড়া ছৈয়ালবাড়ী রাস্তা মরন ফাঁদে পরিনত

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর শহরের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত অত্যান্ত ব্যস্ততম ও ঘনবসতিপূর্ন এলাকা পশ্চিম নাজিরপাড়া ছৈয়ালবাড়ী (আলী রাজা জামে মসজিদ এলাকায়) রাস্তায় এখন গর্তেরপর গর্তে পরিনত হয়ে শতশত এলাকাবাসীর জন্য এখন রাস্তাটি যেন মরনফাঁদে পরিনত হয়ে বেহাল দশা দেখা দিয়েছে ।

Model Hospital

এ রাস্তাটির বিভিন্নস্থানে দেখা যায় ঢেবে গেছে,ফেটে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে বড়বড় গর্তের কারনে প্রতিনিয়ত ছোট ও বড় দূর্ঘটনা ঘটেই চলছে। যে কোন সময় ্এ রাস্তাটিতে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে প্রানহানি ঘটার সম্ভাবনা বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল, তাদের মতমত প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,কোন প্রকার বড় ধরনের ঘটনা ঘটার পূর্বে জরুরী ভিত্তিতে পৌর কর্তৃপক্ষ তড়িৎ গতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য জোরদাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এ অতি গুরুত্বপূর্ন ঘনবসতি পূর্ন রাস্তাটির দিকে নজরনেই এলাকার জনপ্রনিধির। এলাকাবাসী এ এলাকার জনপ্রতিনিধিকে মোবাইল ফোনে ও সরাসরি জানানোর পরও তিনি এ রাস্তাটি দেখতে আসেনি এবং সমস্যা সমাধানে কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে এলাকাবাসীর মধ্যে অভিযোগ উঠেছে এ জনপ্রতিনিধির প্রতি। তিনি হচ্ছে,১২নং পৌর এলাকার কাউন্সিলর হাবিব দর্জি।

সরোজমিনে এ শহরের পশ্চিম নাজির পাড়া ছৈয়ালবাড়ী রোডস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শহরের মিশন রোড থেকে রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রেইনবো হাসপাতালের পাশদিয়ে এ রাস্তাটি প্রবেশ করে মাতৃপীঠ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পিছন দিয়ে বাহির হয়ে রাস্তাটি হাজী মহসিন রোডের সাথে গিয়ে মিলিত হয়েছে। যার ফলে রাস্তাটির গুরুত্ব বেড়ে গেছে।

এখান দিয়ে শত-শত এলাকাবাসী ছাড়া খোদ নাজির পাড়ার শতশত মানুষ সংক্ষিপ্ত রাস্তা হিসেবে এ রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকে। এ ছাড়া স্কুল –কলেজে পড়ুয়াও শতশত শিক্ষার্থী এ রাস্তাদিয়ে প্রবেশ করে চাঁদপুর সরকারী কলেজ ও বিভিন্ন স্থানের বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য তারা এ রাস্তাটি বেছে নিয়ে ব্যবহার করে থাকেন। এ রাস্তাটি প্রায় ৩ফুট দীর্ঘ হলেও এর বিভিন্ন স্থানে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় রয়েছে। এ রাস্তাটির প্রায় অসংখ্যস্থানের ফাটল,ঢেবে যাওয়া ও বড় বড় গর্তে পরিনত হয়ে পড়েছে।

এতে করে শিশু,বৃদ্ব,বৃদ্বা,নারী ও শিক্ষার্থীরা এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে গিয়ে চরম দূভোর্গে পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় শিশুরা ও বয়:বৃদ্বরা যাতায়ত কালে দিনে-রাতে গর্তে পড়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আহত হয়ে পড়ছেন। এভাবে গর্তে পড়ে প্রানহানির আশংকা করছেন, এলাকাবাসী। বিশেষ করে এ এলাকার বহু বছরের পুরাতন মসজিদ আলী রাজা জামে সমজিদের ধর্মপ্রান মুসলমানরা নামাজ পড়তে এসে রাস্তায় হোছট খেয়ে পড়তেও দেখা গেছে।

মুসল্লিরা জানান, প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময় নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারনে চরমভাবে দূর্ভোগে পড়ে দীর্ঘদিন যাবত কস্ট শিকার করতে হচ্ছে। এ এলাকার রাস্তাটিতে কিছুদিন পরপর আন্ডার গ্রান্ডড্রেনের পাইপ ভেঙ্গে গিয়ে এ ধরসের সমস্যার সৃস্টি হচ্ছে এবং সমস্যাটি এখন নিত্যদিনের সমস্যায় পরিনত হয়ে আছে। এ সমস্যা নিরুশনে স্থায়ী ভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে খোজ নিয়ে জানা গেছে,বিগত কয়েক বছর পূর্বে বিগত পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের সময় পুরো চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন পাড়ামহল্লার ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ করা হয় বিরাট অংকের অর্থের মাধ্যমে ঠিকাদারের মাধ্যমে। সে সময় ঠিকাদার আন্ডারগ্রান্ড ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ করতে গিয়ে একেবারে নিন্মমানের প্ইাপ আন্ডারগ্রান্ড ড্রেনে ব্যবহার করায় সে পাইপ এখন ফেটে ভেঙ্গে যাওয়ায় শুধু নাজির পাড়া নয় শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার রাস্তায় এ সমস্যাটি এখন নিত্য সমস্যায় পরিনত হয়ে পড়ছে।

ভেঙ্গে পড়া পাইপ দেখে কয়েকজন ঠিকাদার তাদের নাম প্রকাশ না করা সত্বে বলেন,শহরে যে আন্ডার গ্রান্ড ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে,তখন যে প্ইাপ ব্যবহার করা হয় সে পাইপ নিন্মমানের হওয়ায় মাটির চাপ লোড নিতে নাপেরে পাইপ গুলো ভেঙ্গে ও ফেটে যাচ্ছে। এ সব পাইপড্রেনে যতদিন থাকবে ততদিন শহরে এ অবস্থার বিরাজমান থাকবে।

এ বিষয়ে বর্তমান পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,বিগত সময় নিন্মমানের পাইপ ব্যবহার করায় এ অবস্থার সৃস্টি হয়েছে,বলে জানতে পেরেছি। পৌর শহরবাসীর প্রয়োজনে আমার বর্তমান পরিষদ ভালভাবে কাজ করে মানুষের কল্যান করার চেস্টা করে যাচ্ছে। যে যে স্থানে পাইপের কারনে ড্রেনের ও রাস্তারন সমস্যা সৃস্টি হচ্ছে তা’আমার পরিষদ দেখবে ও ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

ট্যাগস :

চাঁদপুর শহরের পশ্চিম নাজির পাড়া ছৈয়ালবাড়ী রাস্তা মরন ফাঁদে পরিনত

আপডেট সময় : ০৪:১৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর শহরের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত অত্যান্ত ব্যস্ততম ও ঘনবসতিপূর্ন এলাকা পশ্চিম নাজিরপাড়া ছৈয়ালবাড়ী (আলী রাজা জামে মসজিদ এলাকায়) রাস্তায় এখন গর্তেরপর গর্তে পরিনত হয়ে শতশত এলাকাবাসীর জন্য এখন রাস্তাটি যেন মরনফাঁদে পরিনত হয়ে বেহাল দশা দেখা দিয়েছে ।

Model Hospital

এ রাস্তাটির বিভিন্নস্থানে দেখা যায় ঢেবে গেছে,ফেটে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে বড়বড় গর্তের কারনে প্রতিনিয়ত ছোট ও বড় দূর্ঘটনা ঘটেই চলছে। যে কোন সময় ্এ রাস্তাটিতে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে প্রানহানি ঘটার সম্ভাবনা বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল, তাদের মতমত প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,কোন প্রকার বড় ধরনের ঘটনা ঘটার পূর্বে জরুরী ভিত্তিতে পৌর কর্তৃপক্ষ তড়িৎ গতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য জোরদাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এ অতি গুরুত্বপূর্ন ঘনবসতি পূর্ন রাস্তাটির দিকে নজরনেই এলাকার জনপ্রনিধির। এলাকাবাসী এ এলাকার জনপ্রতিনিধিকে মোবাইল ফোনে ও সরাসরি জানানোর পরও তিনি এ রাস্তাটি দেখতে আসেনি এবং সমস্যা সমাধানে কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে এলাকাবাসীর মধ্যে অভিযোগ উঠেছে এ জনপ্রতিনিধির প্রতি। তিনি হচ্ছে,১২নং পৌর এলাকার কাউন্সিলর হাবিব দর্জি।

সরোজমিনে এ শহরের পশ্চিম নাজির পাড়া ছৈয়ালবাড়ী রোডস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শহরের মিশন রোড থেকে রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রেইনবো হাসপাতালের পাশদিয়ে এ রাস্তাটি প্রবেশ করে মাতৃপীঠ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পিছন দিয়ে বাহির হয়ে রাস্তাটি হাজী মহসিন রোডের সাথে গিয়ে মিলিত হয়েছে। যার ফলে রাস্তাটির গুরুত্ব বেড়ে গেছে।

এখান দিয়ে শত-শত এলাকাবাসী ছাড়া খোদ নাজির পাড়ার শতশত মানুষ সংক্ষিপ্ত রাস্তা হিসেবে এ রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকে। এ ছাড়া স্কুল –কলেজে পড়ুয়াও শতশত শিক্ষার্থী এ রাস্তাদিয়ে প্রবেশ করে চাঁদপুর সরকারী কলেজ ও বিভিন্ন স্থানের বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য তারা এ রাস্তাটি বেছে নিয়ে ব্যবহার করে থাকেন। এ রাস্তাটি প্রায় ৩ফুট দীর্ঘ হলেও এর বিভিন্ন স্থানে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় রয়েছে। এ রাস্তাটির প্রায় অসংখ্যস্থানের ফাটল,ঢেবে যাওয়া ও বড় বড় গর্তে পরিনত হয়ে পড়েছে।

এতে করে শিশু,বৃদ্ব,বৃদ্বা,নারী ও শিক্ষার্থীরা এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে গিয়ে চরম দূভোর্গে পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় শিশুরা ও বয়:বৃদ্বরা যাতায়ত কালে দিনে-রাতে গর্তে পড়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আহত হয়ে পড়ছেন। এভাবে গর্তে পড়ে প্রানহানির আশংকা করছেন, এলাকাবাসী। বিশেষ করে এ এলাকার বহু বছরের পুরাতন মসজিদ আলী রাজা জামে সমজিদের ধর্মপ্রান মুসলমানরা নামাজ পড়তে এসে রাস্তায় হোছট খেয়ে পড়তেও দেখা গেছে।

মুসল্লিরা জানান, প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময় নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারনে চরমভাবে দূর্ভোগে পড়ে দীর্ঘদিন যাবত কস্ট শিকার করতে হচ্ছে। এ এলাকার রাস্তাটিতে কিছুদিন পরপর আন্ডার গ্রান্ডড্রেনের পাইপ ভেঙ্গে গিয়ে এ ধরসের সমস্যার সৃস্টি হচ্ছে এবং সমস্যাটি এখন নিত্যদিনের সমস্যায় পরিনত হয়ে আছে। এ সমস্যা নিরুশনে স্থায়ী ভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে খোজ নিয়ে জানা গেছে,বিগত কয়েক বছর পূর্বে বিগত পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের সময় পুরো চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন পাড়ামহল্লার ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ করা হয় বিরাট অংকের অর্থের মাধ্যমে ঠিকাদারের মাধ্যমে। সে সময় ঠিকাদার আন্ডারগ্রান্ড ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ করতে গিয়ে একেবারে নিন্মমানের প্ইাপ আন্ডারগ্রান্ড ড্রেনে ব্যবহার করায় সে পাইপ এখন ফেটে ভেঙ্গে যাওয়ায় শুধু নাজির পাড়া নয় শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার রাস্তায় এ সমস্যাটি এখন নিত্য সমস্যায় পরিনত হয়ে পড়ছে।

ভেঙ্গে পড়া পাইপ দেখে কয়েকজন ঠিকাদার তাদের নাম প্রকাশ না করা সত্বে বলেন,শহরে যে আন্ডার গ্রান্ড ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে,তখন যে প্ইাপ ব্যবহার করা হয় সে পাইপ নিন্মমানের হওয়ায় মাটির চাপ লোড নিতে নাপেরে পাইপ গুলো ভেঙ্গে ও ফেটে যাচ্ছে। এ সব পাইপড্রেনে যতদিন থাকবে ততদিন শহরে এ অবস্থার বিরাজমান থাকবে।

এ বিষয়ে বর্তমান পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,বিগত সময় নিন্মমানের পাইপ ব্যবহার করায় এ অবস্থার সৃস্টি হয়েছে,বলে জানতে পেরেছি। পৌর শহরবাসীর প্রয়োজনে আমার বর্তমান পরিষদ ভালভাবে কাজ করে মানুষের কল্যান করার চেস্টা করে যাচ্ছে। যে যে স্থানে পাইপের কারনে ড্রেনের ও রাস্তারন সমস্যা সৃস্টি হচ্ছে তা’আমার পরিষদ দেখবে ও ব্যবস্থা গ্রহন করবে।