ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাইমচরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় হাইমচর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোস্তফা কামাল প্রতিষ্ঠানটির বিগত কয়েক বছরের ফলাফল, অবকাঠামোগত পরিবেশ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অর্জন সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্যাদি এবং এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটির অবদান বিশ্লেষণ করে এই ঘোষণা দেন।
এ সম্পর্কে মোস্তফা কামাল বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজকে হাইমচর উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল সন্তোষজনক অবকাঠামোগত পরিবেশ খুবই ভালো, পাশাপাশি আমরা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অর্জন সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্যাদি বিশ্লেষণ করেছি। প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীসহ সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নুর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, শুধু হাইমচরে নয়, দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম হাইমচরের বাহিরেও ছড়িয়ে পড়েছে। আজ প্রতিষ্ঠানটি হাইমচর উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির এই সাফল্যে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে আমি গর্বিত। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তাই সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে বিদ্যালয়টি আজকের এই অবস্থানে ছিলো না। আমি দায়িত্ব গ্রহণ করে সবসময় চেষ্টা করেছি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিরসন করে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। এছাড়া ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি করে সুপ্ত প্রতিভার মুক্ত বিকাশ ঘটানোই ছিলো আমার লক্ষ্য। আজকের এই ঘোষণার মাধ্যমে এই লক্ষ্য পূরনে আমরা যে সফল হয়েছি সেটাই প্রমাণিত হয়। ইনশাআল্লাহ এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানটি খুব কম সময়ের মধ্যে চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষিত হয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এটাই প্রত্যাশা করি।
প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে পড়াশোনা, সংস্কৃতি চর্চা, খেলাধুলায় এই এলাকার  শিক্ষার্থীদের বিকাশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি,  শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের একান্ত প্রচেষ্টার ফলে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। তাই আমি সভাপতি মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই।
প্রতিষ্ঠানের সহকারি প্রধান শিক্ষক জনাব শাহনেওয়াজ বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ হাইমচর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘোষণা হওয়ায় গর্ববোধ করছি। আমি এই প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করেছি, আজ সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বিদ্যালয়ের এই সাফল্যে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমরা চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আশা করি প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মেধা, মননের বিকাশ ঘটিয়ে চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে সুনাগরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমি এই সাফল্যে গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক- কর্মচারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই
ট্যাগস :

হাইমচরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় হাইমচর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোস্তফা কামাল প্রতিষ্ঠানটির বিগত কয়েক বছরের ফলাফল, অবকাঠামোগত পরিবেশ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অর্জন সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্যাদি এবং এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটির অবদান বিশ্লেষণ করে এই ঘোষণা দেন।
এ সম্পর্কে মোস্তফা কামাল বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজকে হাইমচর উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল সন্তোষজনক অবকাঠামোগত পরিবেশ খুবই ভালো, পাশাপাশি আমরা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অর্জন সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্যাদি বিশ্লেষণ করেছি। প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীসহ সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নুর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, শুধু হাইমচরে নয়, দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম হাইমচরের বাহিরেও ছড়িয়ে পড়েছে। আজ প্রতিষ্ঠানটি হাইমচর উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির এই সাফল্যে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে আমি গর্বিত। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তাই সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে বিদ্যালয়টি আজকের এই অবস্থানে ছিলো না। আমি দায়িত্ব গ্রহণ করে সবসময় চেষ্টা করেছি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিরসন করে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। এছাড়া ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি করে সুপ্ত প্রতিভার মুক্ত বিকাশ ঘটানোই ছিলো আমার লক্ষ্য। আজকের এই ঘোষণার মাধ্যমে এই লক্ষ্য পূরনে আমরা যে সফল হয়েছি সেটাই প্রমাণিত হয়। ইনশাআল্লাহ এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানটি খুব কম সময়ের মধ্যে চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষিত হয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এটাই প্রত্যাশা করি।
প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে পড়াশোনা, সংস্কৃতি চর্চা, খেলাধুলায় এই এলাকার  শিক্ষার্থীদের বিকাশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি,  শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের একান্ত প্রচেষ্টার ফলে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। তাই আমি সভাপতি মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই।
প্রতিষ্ঠানের সহকারি প্রধান শিক্ষক জনাব শাহনেওয়াজ বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ হাইমচর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘোষণা হওয়ায় গর্ববোধ করছি। আমি এই প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করেছি, আজ সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বিদ্যালয়ের এই সাফল্যে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমরা চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আশা করি প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মেধা, মননের বিকাশ ঘটিয়ে চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে সুনাগরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমি এই সাফল্যে গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক- কর্মচারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই