ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে মাদরাসার নামে জোর করে জমি দখলের চেষ্টায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

মতলব উত্তর ব্যুরো : মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর আল হেরা মহিলা মাদরাসার নামে জোর করে জায়গা দখলের চেষ্টা চলছে। এ অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বালু ভরাট করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Model Hospital

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী উপজেলার মোহনপুর ফতুয়াকান্দি গ্রামের সেকুল ইসলাম নাদিম মিয়াজীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করান।

ফাতমা জানান, ৬৮ নং মোহনপুর মৌজার ৬২ হালে, সিএস ৯৬০ ও এসএ ফতিয়ান ১১০১ হালে, ৪০১/৪০২ নং চুড়ান্ত বিএস ১৫৬, সাবেক ১৩৩৫ সাবেক ৬২৭ দাগে জমির পরিমান ৪৪ শতাংশ। এতে অংশীদার ৯ জন। এর মধ্য এক অংশীদার রাজিয়া সুলতানা অন্য জমি থেকে বেশি বিক্রি করায় এই দাগে পাবে মাত্র ৪ শতাংশ। কিন্তু ২০১৫ সালে মোহনপুর আল হেরা মহিলা মাদ্রাসার কমিটির লোকজন রাজিয়া সুলতানা সাড়ে ৮ শতাংশ জমি বিক্রয় করে। পরে কমিটির লোকজন পরে তা মাদ্রাসার নামে ওয়াকফ করে দেয়। প্রকৃত পক্ষে রাজিয়া সুলতানা ৪ শতাংশের মালিক।

গত ৩১ জানুয়ারী মাদ্রাসার পক্ষের কাজী শরীফ, আনোয়ার হোসেনসহ ১৬ জন জোর করে আমাদের মারধর করে জায়গা দখলের চেষ্টা করে ১২ শতাংশ জমি দখল করার চেষ্টা করছে ।

সালাউদ্দিনসহ অন্যান্য অংশিদাররা বলেন, মাদ্রাসা যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করছে সেই ক্রয় সঠিক নয়, তাছাড়া তারা আরো বেশি জায়গা দখল করে আছে।

এ বিষয়ে কাজী শরীফ বলেন, আমরা যতটুকু ক্রয় করেছি ততটুকুই দখলে আছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাব চাঁদপুরের আয়োজনে বাজার পরিস্থিতি ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক মত বিনিময় সভা

মতলব উত্তরে মাদরাসার নামে জোর করে জমি দখলের চেষ্টায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ মার্চ ২০২২

মতলব উত্তর ব্যুরো : মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর আল হেরা মহিলা মাদরাসার নামে জোর করে জায়গা দখলের চেষ্টা চলছে। এ অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বালু ভরাট করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Model Hospital

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী উপজেলার মোহনপুর ফতুয়াকান্দি গ্রামের সেকুল ইসলাম নাদিম মিয়াজীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করান।

ফাতমা জানান, ৬৮ নং মোহনপুর মৌজার ৬২ হালে, সিএস ৯৬০ ও এসএ ফতিয়ান ১১০১ হালে, ৪০১/৪০২ নং চুড়ান্ত বিএস ১৫৬, সাবেক ১৩৩৫ সাবেক ৬২৭ দাগে জমির পরিমান ৪৪ শতাংশ। এতে অংশীদার ৯ জন। এর মধ্য এক অংশীদার রাজিয়া সুলতানা অন্য জমি থেকে বেশি বিক্রি করায় এই দাগে পাবে মাত্র ৪ শতাংশ। কিন্তু ২০১৫ সালে মোহনপুর আল হেরা মহিলা মাদ্রাসার কমিটির লোকজন রাজিয়া সুলতানা সাড়ে ৮ শতাংশ জমি বিক্রয় করে। পরে কমিটির লোকজন পরে তা মাদ্রাসার নামে ওয়াকফ করে দেয়। প্রকৃত পক্ষে রাজিয়া সুলতানা ৪ শতাংশের মালিক।

গত ৩১ জানুয়ারী মাদ্রাসার পক্ষের কাজী শরীফ, আনোয়ার হোসেনসহ ১৬ জন জোর করে আমাদের মারধর করে জায়গা দখলের চেষ্টা করে ১২ শতাংশ জমি দখল করার চেষ্টা করছে ।

সালাউদ্দিনসহ অন্যান্য অংশিদাররা বলেন, মাদ্রাসা যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করছে সেই ক্রয় সঠিক নয়, তাছাড়া তারা আরো বেশি জায়গা দখল করে আছে।

এ বিষয়ে কাজী শরীফ বলেন, আমরা যতটুকু ক্রয় করেছি ততটুকুই দখলে আছি।