ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে মন্দির ভাঙ্গার ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় আটকদের মুক্তির দাবীতে তাদের পরিবার মানববন্ধন করেছে। ২মার্চ বুধবার সকালে আটকদের পরিবারের কয়েক শতাধিক সদস্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করেন।

Model Hospital

এসময় আটক ব্যক্তিদের সন্তানের কান্না এবং তাদের মায়েদের আর্তনাদে সেখানকার আকাশ ভারি হয়ে ওঠে।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া কয়েকজন বলেন, মন্দির-পূজা মন্ডপে যারা হামলা করেছে তাদের শাস্তির দাবি করি। কিন্তু যারা নিরাপরাধ তাদেরকে কেন আটক রাখা হয়েছে। পুলিশ শুধুমাত্র সিসিটিভির ফুটেজের ছবি দেখাতে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং অভিযুক্তদের চিনিয়ে দেওয়ার কথা বলে থানায় নিয়ে যায়। অথচ ৫ মাস হয়ে গেল তাদের ছাড়া হয়নি। উল্টো তাদের বিরুদ্ধে ৪/৫টি করে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে।

ফাতেমা-তুজ-জোহরা নামে এক নারী বলেন, আমার স্বামী তানজিল হোসাইন বাজারে তরকারি বিক্রি করতো। পুলিশ বলেছিলো সিসিটিভিতে যাদের দেখা হয়েছে তাদের চিনিয়ে দেয়ার জন্যে থানা যেতে। এরপর ৫ মাস হলেও তাকে ছাড়া হয়নি।

তিনি আরো বলেন, একটি পরিবারের কর্মজীবী মানুষটি যদি পাঁচ মাস জেলে থাকে তাহলে সেই পরিবারের মানুষগুলো কি খেয়ে বাঁচে। আমরা খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছি। দয়া করে আমাদের নিরীহ স্বামী-ভাইদের ছেড়ে দেওয়া হোক।

পারভিন বেগম বলেন, আমার ২ ছেলে ইব্রাহিম ও গোলাম রাব্বী এবার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো। তারা জেলে থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেনি। আমি আমার নির্দোশ ছেলেদের মুক্তি চাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাব চাঁদপুরের আয়োজনে বাজার পরিস্থিতি ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক মত বিনিময় সভা

হাজীগঞ্জে মন্দির ভাঙ্গার ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ মার্চ ২০২২
নিজস্ব প্রতিনিধি : কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় আটকদের মুক্তির দাবীতে তাদের পরিবার মানববন্ধন করেছে। ২মার্চ বুধবার সকালে আটকদের পরিবারের কয়েক শতাধিক সদস্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করেন।

Model Hospital

এসময় আটক ব্যক্তিদের সন্তানের কান্না এবং তাদের মায়েদের আর্তনাদে সেখানকার আকাশ ভারি হয়ে ওঠে।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া কয়েকজন বলেন, মন্দির-পূজা মন্ডপে যারা হামলা করেছে তাদের শাস্তির দাবি করি। কিন্তু যারা নিরাপরাধ তাদেরকে কেন আটক রাখা হয়েছে। পুলিশ শুধুমাত্র সিসিটিভির ফুটেজের ছবি দেখাতে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং অভিযুক্তদের চিনিয়ে দেওয়ার কথা বলে থানায় নিয়ে যায়। অথচ ৫ মাস হয়ে গেল তাদের ছাড়া হয়নি। উল্টো তাদের বিরুদ্ধে ৪/৫টি করে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে।

ফাতেমা-তুজ-জোহরা নামে এক নারী বলেন, আমার স্বামী তানজিল হোসাইন বাজারে তরকারি বিক্রি করতো। পুলিশ বলেছিলো সিসিটিভিতে যাদের দেখা হয়েছে তাদের চিনিয়ে দেয়ার জন্যে থানা যেতে। এরপর ৫ মাস হলেও তাকে ছাড়া হয়নি।

তিনি আরো বলেন, একটি পরিবারের কর্মজীবী মানুষটি যদি পাঁচ মাস জেলে থাকে তাহলে সেই পরিবারের মানুষগুলো কি খেয়ে বাঁচে। আমরা খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছি। দয়া করে আমাদের নিরীহ স্বামী-ভাইদের ছেড়ে দেওয়া হোক।

পারভিন বেগম বলেন, আমার ২ ছেলে ইব্রাহিম ও গোলাম রাব্বী এবার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো। তারা জেলে থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেনি। আমি আমার নির্দোশ ছেলেদের মুক্তি চাই।