ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কচুয়াবাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ওসি মহিউদ্দিন

মোঃ রাছেল : পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অর্জনের পাল্লা এখন সুনামের খাতায় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। একজন নেতা যেমন কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যায়, একজন কোচ যেভাবে কনফিডেন্সলেভেল তৈরি করে শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আসেন। ঠিক একই ভাবে শত বিপদে, প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যিনি বট গাছের ন্যায় আগলে রাখেন অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তা সদস্যদের। তিনি আর কেউ নন,তিনি হচ্ছেন চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানবিক ওসি মো. মহিউদ্দিন।

Model Hospital

তিনি ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কচুয়া থানায় যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত একটা লোকও বিনাদোষে গ্রেপ্তার হয়নি। নির্দোষ কাউকে ফাঁসাতে পারেনি কোন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। দোষী ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে পার পায়নি। কোন মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীর কাছ থেকে মাসোহারা নেননি। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি পুলিশকে ব্যবহার করতে পারেনি। কোন সাধারণ মানুষকে লাঞ্চিত করে পার পায়নি কেউ, আর এই সফলতার মূল নায়ক মানবিক পুলিশ মহিউদ্দিন। পুলিশের রুটিন ওয়ার্কের বাইরেও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশ এবং জাতির কল্যাণের জন্য। তিনি একজন সৎ, নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, সহজ-সরল, মানবিক পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল ডায়ানামিক কর্মকর্তা হিসেবে কচুয়া বাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

কর্মক্ষেত্রে কাজের গতিশীলতা, সফলতা সবকিছুর পেছনে এই মানুষটার অংশগ্রহণ অনেক। নাগরিক সেবা ও জন-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত তার নির্দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে অধিননস্থ পুলিশ সদস্যরা। মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি প্রতিরোধ, ইভটিজিং,বাল্য বিবাহ, বিভিন্ন মামলার রহস্য উদঘাটন, যেকোন মামলা মোকাদ্দেমা দ্রুত মিমাংসা করা সহ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেনতিনি।

কচুয়া থানার কর্মরত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন, ডাকাতি সহ এমন অসংখ্য সৃজনশীল নির্দেশনা তৈরি করে অধীনস্থ অফিসারদের নিয়ে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে উপজেলাবাসীর কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া আমাদের অভিভাবক মো. মহিউদ্দিন স্যারের নির্দেশনা পালনে আমরা সব সময়ই প্রস্তুত রয়েছি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন দৈনিক শপথ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ রাছেলকে জানান,“মাদকের সহিত জিরো টলারেন্স নীতিতে এগিয়ে নিবো” থানায় সাধারন ডায়রী, অভিযোগ দায়ের, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মামলা রজু সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন যেন না হয় সে বিষয়ে কঠোর মনিটারিং অব্যহত রয়েছে।এ থানাকে জেলার মধ্যে একটি মডেল থানা হিসেবে গড়ে তোলার দৃড় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন- আইনের সেবক হয়ে জনতার সাড়িতে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবো, প্রতিটি মানুষ আমাকে খুব কাছ থেকে পাবে এবং তাদের সমস্যার কথা গুলি বলতে পারবে ঠিক তেমন ভাবে আমি কচুয়া উপজেলা বাসির জন্য কাজ করব।একজন সাধারণ মানুষ যখন আইনের সেবকদের কাছে ন্যায় বিচার পাবে ঠিক তখনি মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জেগে উঠবে।

আমি মনে করি সাধারণ মানুষ যখন আমাদের কাছে আসতে পারবে ঠিক তখনি তারা অন্ধকার জীবন থেকে আলোর পথে ফিরে আসবে, একজন পুলিশের কাছে সেটাও সম্ভব একজন অপরাধি কে ঘৃণার দৃষ্টিতে না দেখে আইনের মাধ্যমে তাকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখে আলোর পথে নিয়ে আসা। আমরা চেষ্টা করতে পারি তাকে ভালো করার সুযোগ দেয়ার। আপনারা আমাদের সাহায্য করুন আমরা সত্যিই মানুষের স্বপ্নের পুলিশ হতে চাই।কচুয়া থানায় যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য যে, (ওসি) মো. মহিউদ্দিন ২০০৭ সালে বহিরাগত ক্যাডেটে (এসআই) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে পুলিশ পরিদর্শক পদোন্নতি লাভ করেন। ইতিপূর্বে তিনি চাঁদপুর জেলায় গোয়েন্দা বিভাগে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মো: মহিউদ্দিন মানবিক কর্মকাণ্ড কচুয়া উপজেলাতে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। হোমনা উপজেলার কাচারী কান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার মো. মোশারেফ হোসেনের দ্বিতীয় পুত্র মো. মহিউদ্দিন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়াবাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ওসি মহিউদ্দিন

আপডেট সময় : ০২:২৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২

মোঃ রাছেল : পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অর্জনের পাল্লা এখন সুনামের খাতায় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। একজন নেতা যেমন কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যায়, একজন কোচ যেভাবে কনফিডেন্সলেভেল তৈরি করে শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আসেন। ঠিক একই ভাবে শত বিপদে, প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যিনি বট গাছের ন্যায় আগলে রাখেন অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তা সদস্যদের। তিনি আর কেউ নন,তিনি হচ্ছেন চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানবিক ওসি মো. মহিউদ্দিন।

Model Hospital

তিনি ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কচুয়া থানায় যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত একটা লোকও বিনাদোষে গ্রেপ্তার হয়নি। নির্দোষ কাউকে ফাঁসাতে পারেনি কোন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। দোষী ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে পার পায়নি। কোন মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীর কাছ থেকে মাসোহারা নেননি। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি পুলিশকে ব্যবহার করতে পারেনি। কোন সাধারণ মানুষকে লাঞ্চিত করে পার পায়নি কেউ, আর এই সফলতার মূল নায়ক মানবিক পুলিশ মহিউদ্দিন। পুলিশের রুটিন ওয়ার্কের বাইরেও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশ এবং জাতির কল্যাণের জন্য। তিনি একজন সৎ, নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, সহজ-সরল, মানবিক পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল ডায়ানামিক কর্মকর্তা হিসেবে কচুয়া বাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

কর্মক্ষেত্রে কাজের গতিশীলতা, সফলতা সবকিছুর পেছনে এই মানুষটার অংশগ্রহণ অনেক। নাগরিক সেবা ও জন-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত তার নির্দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে অধিননস্থ পুলিশ সদস্যরা। মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি প্রতিরোধ, ইভটিজিং,বাল্য বিবাহ, বিভিন্ন মামলার রহস্য উদঘাটন, যেকোন মামলা মোকাদ্দেমা দ্রুত মিমাংসা করা সহ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেনতিনি।

কচুয়া থানার কর্মরত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন, ডাকাতি সহ এমন অসংখ্য সৃজনশীল নির্দেশনা তৈরি করে অধীনস্থ অফিসারদের নিয়ে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে উপজেলাবাসীর কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া আমাদের অভিভাবক মো. মহিউদ্দিন স্যারের নির্দেশনা পালনে আমরা সব সময়ই প্রস্তুত রয়েছি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন দৈনিক শপথ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ রাছেলকে জানান,“মাদকের সহিত জিরো টলারেন্স নীতিতে এগিয়ে নিবো” থানায় সাধারন ডায়রী, অভিযোগ দায়ের, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মামলা রজু সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন যেন না হয় সে বিষয়ে কঠোর মনিটারিং অব্যহত রয়েছে।এ থানাকে জেলার মধ্যে একটি মডেল থানা হিসেবে গড়ে তোলার দৃড় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন- আইনের সেবক হয়ে জনতার সাড়িতে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবো, প্রতিটি মানুষ আমাকে খুব কাছ থেকে পাবে এবং তাদের সমস্যার কথা গুলি বলতে পারবে ঠিক তেমন ভাবে আমি কচুয়া উপজেলা বাসির জন্য কাজ করব।একজন সাধারণ মানুষ যখন আইনের সেবকদের কাছে ন্যায় বিচার পাবে ঠিক তখনি মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জেগে উঠবে।

আমি মনে করি সাধারণ মানুষ যখন আমাদের কাছে আসতে পারবে ঠিক তখনি তারা অন্ধকার জীবন থেকে আলোর পথে ফিরে আসবে, একজন পুলিশের কাছে সেটাও সম্ভব একজন অপরাধি কে ঘৃণার দৃষ্টিতে না দেখে আইনের মাধ্যমে তাকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখে আলোর পথে নিয়ে আসা। আমরা চেষ্টা করতে পারি তাকে ভালো করার সুযোগ দেয়ার। আপনারা আমাদের সাহায্য করুন আমরা সত্যিই মানুষের স্বপ্নের পুলিশ হতে চাই।কচুয়া থানায় যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য যে, (ওসি) মো. মহিউদ্দিন ২০০৭ সালে বহিরাগত ক্যাডেটে (এসআই) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে পুলিশ পরিদর্শক পদোন্নতি লাভ করেন। ইতিপূর্বে তিনি চাঁদপুর জেলায় গোয়েন্দা বিভাগে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মো: মহিউদ্দিন মানবিক কর্মকাণ্ড কচুয়া উপজেলাতে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। হোমনা উপজেলার কাচারী কান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার মো. মোশারেফ হোসেনের দ্বিতীয় পুত্র মো. মহিউদ্দিন।