ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
হরিপুর সরকারি প্রাথমিক

কচুয়ায় বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের অনিয়মের অভিযোগ

কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

Model Hospital

স্থানীয়রা জানান,বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা চলতি ২০২৩/২৪ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের ২ লক্ষ টাকা ও স্লিপের ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পান। বিদ্যালয়ের ভবন মেরামত না করেই খসে পড়া প্লাস্টারের উপরে নামেমাত্র রং করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের বারিন্দা সংস্করণ কাজ দেখালোও দেখা যায়নি তেমন সংস্করণ কাজের নমুনা।

নিয়ম বহির্ভূতভাবে বরাদ্দের টাকা থেকে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নামেমাত্র রঙ ও মেরামতের কাজ করাচ্ছে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাওয়া বেগম জানান,বিদ্যালয়ের মেরামতের কাজের জন্য দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। বরাদ্দের কাজের সংশ্লিষ্ট তদারকিথাকা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের এস্টিমেট ও ডিজাইন অনুযায়ী আমি কাজ করেছি। অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়টি আমি দেখিনি।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ জানান, বিদ্যালয় ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাওয়া বেগম তার মনমতো মেরামতের কাজ করছেন।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের মেরামতের কাজে আমি তদারকি রয়েছি। প্রধান শিক্ষিকাকে কাজের এস্টিমেট দিয়েছি। দুর্যোগ আবহাওয়ার কারণে সরজমিনে গিয়ে বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ দেখতে পারেনি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভাষ চন্দ্র বলেন, বিদ্যালয় মেরামতের কাজের অনিয়মের বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে শুনেছি। সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করে কাজের অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পারভীন সুলতানা বলেন, ক্ষুদ্র মেরামতের কাজের বিষয়টি সহকারী শিক্ষা অফিসার তদারকি করে থাকেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে মাদরাসাতু মুহাম্মদ সাঃ উদ্বোধন

হরিপুর সরকারি প্রাথমিক

কচুয়ায় বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪

কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

Model Hospital

স্থানীয়রা জানান,বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা চলতি ২০২৩/২৪ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের ২ লক্ষ টাকা ও স্লিপের ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পান। বিদ্যালয়ের ভবন মেরামত না করেই খসে পড়া প্লাস্টারের উপরে নামেমাত্র রং করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের বারিন্দা সংস্করণ কাজ দেখালোও দেখা যায়নি তেমন সংস্করণ কাজের নমুনা।

নিয়ম বহির্ভূতভাবে বরাদ্দের টাকা থেকে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নামেমাত্র রঙ ও মেরামতের কাজ করাচ্ছে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাওয়া বেগম জানান,বিদ্যালয়ের মেরামতের কাজের জন্য দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। বরাদ্দের কাজের সংশ্লিষ্ট তদারকিথাকা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের এস্টিমেট ও ডিজাইন অনুযায়ী আমি কাজ করেছি। অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়টি আমি দেখিনি।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ জানান, বিদ্যালয় ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাওয়া বেগম তার মনমতো মেরামতের কাজ করছেন।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের মেরামতের কাজে আমি তদারকি রয়েছি। প্রধান শিক্ষিকাকে কাজের এস্টিমেট দিয়েছি। দুর্যোগ আবহাওয়ার কারণে সরজমিনে গিয়ে বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ দেখতে পারেনি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভাষ চন্দ্র বলেন, বিদ্যালয় মেরামতের কাজের অনিয়মের বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে শুনেছি। সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করে কাজের অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পারভীন সুলতানা বলেন, ক্ষুদ্র মেরামতের কাজের বিষয়টি সহকারী শিক্ষা অফিসার তদারকি করে থাকেন।