ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় বিএনপির পাঁচ নেতা কারাগারে

চাঁদপুরের কচুয়ায় পুলিশের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় জামিন নিতে এলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

Model Hospital

রোববার (১২ মে) দুপুরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল আমিন ছিদ্দিকী তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

বিএনপির পাঁচ নেতা হলেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, সাচার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি পরান, গোহাট উত্তর ইউনিয়ন যুবদলনেতা জাকির হোসেন, সাচার ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. আব্দুর রাজ্জাক, বিতাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল।

কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর উপজেলার গোহাট দক্ষিণ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বিস্ফোরক দ্রব্য হেফাজতে রাখার অভিযোগে ২৪ জনকে আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলা করেন।

এই ২৪ জনের মধ্যে ছয়জন উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেওয়ার পর আজ স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। এর মধ্যে এমরান নামে একজন পরীক্ষার্থী হওয়ায় আদালত তাঁকে জামিন দেন। বাকি পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মাসুদ প্রধানিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তারা হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসেন। হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাঁরা স্থায়ী জামিনের জন্য জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। আদালত তাঁদের জেলহাজতে পাঠান।

ট্যাগস :

কচুয়ায় বিএনপির পাঁচ নেতা কারাগারে

আপডেট সময় : ১১:১৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

চাঁদপুরের কচুয়ায় পুলিশের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় জামিন নিতে এলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

Model Hospital

রোববার (১২ মে) দুপুরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল আমিন ছিদ্দিকী তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

বিএনপির পাঁচ নেতা হলেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, সাচার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি পরান, গোহাট উত্তর ইউনিয়ন যুবদলনেতা জাকির হোসেন, সাচার ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. আব্দুর রাজ্জাক, বিতাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল।

কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর উপজেলার গোহাট দক্ষিণ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বিস্ফোরক দ্রব্য হেফাজতে রাখার অভিযোগে ২৪ জনকে আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলা করেন।

এই ২৪ জনের মধ্যে ছয়জন উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেওয়ার পর আজ স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। এর মধ্যে এমরান নামে একজন পরীক্ষার্থী হওয়ায় আদালত তাঁকে জামিন দেন। বাকি পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মাসুদ প্রধানিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তারা হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসেন। হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাঁরা স্থায়ী জামিনের জন্য জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। আদালত তাঁদের জেলহাজতে পাঠান।