ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্রে করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত- ২

কচুয়ায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ২জন আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছে- তুলপাই গ্রামের মিয়াজী বাড়ির আব্দুল আজিজের ছেলে শাহ আলম (৩৫) ও একই বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২)।

Model Hospital

এ ঘটনায় আহত শাহআলমের ভাই শাহ এমরান হোসেন বাদী হয়ে ২ জনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার তুলপাই মিয়াজী বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেন (৩২) বৃহস্পতিবার বিকালে কচুয়া আসার পথে কুটিয়া ভাঙ্গা মসজিদের সামনে আসা মাত্র ওই গ্রামের বাসিন্দা সিরাজ মিয়ার ছেলে এমরান মিয়া (২৬), করইশ গ্রামের আবু মিয়ার ছেলে তুহিন (২০) সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে ফারুক হোসেনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এসময় তারা ফারুক হোসেনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারিভাবে পিটিয়ে রক্তাত্ত জখম করে। ঘটনার সময় ফারুক হোসেনের চাচাতো ভাই তুলপাই গ্রামের আজিজ মিয়ার ছেলে শাহআলম মোটরসাইকেলযোগে ওই পথ দিয়ে কচুয়া বাজারে আসার পথে মারামারি দেখতে পেয়ে উভয়েকে থামানোর চেষ্টা করলে এমরান হোসেন ও তুহিন তাকেও বেধম মারধর করে সজ্ঞাহীন করে রাস্তায় ফেলে রাখে। এবং তার সাথে থাকা প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

একপর্যায়ে শাহআলম ঘটনাস্থলেই মলত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে শাহআলম ও ফারুক হোসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফারুক হোসেন জানান, বাজারের ফলের আড়ৎদার কুটিয়া গ্রামের এমরান হোসেনের কাছ থেকে আমি ফল নিয়ে বিক্রি করে আসছি। ফলের টাকা বাবদ ৩ হাজার টাকা এমরান পাবে। বৃহস্পতিবার সকালে এমরান হোসেন আমাদের বাড়িতে আসলে আমি তাকে সন্ধ্যার মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধ করবো বললে সে আমাকে গালমন্দ করে চলে আসে।

ওইদিন বিকালে কচুয়া বাজারে আসার পথে সে আমার পথ অবরোধ করে সাঙ্গ-পাঙ্গ দিয়ে আমার উপর হামলা চালায়। এসময় আমার চাচাতো ভাই শাহআলম ঘটনাস্থলে আসলে তাকেও তারা মারধর করে সজ্ঞাহীন করে ফেলে।

অভিযুক্ত এমরান হোসেনের বক্তব্য জানতে কুটিয়া গ্রামের তার বাড়িতে গেলে তাকে না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৮৮৫২৫০৬৭০ নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, তুলপাই গ্রামের শাহ এমরান কর্তৃক একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

কচুয়ায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্রে করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত- ২

আপডেট সময় : ১১:৩১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

কচুয়ায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ২জন আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছে- তুলপাই গ্রামের মিয়াজী বাড়ির আব্দুল আজিজের ছেলে শাহ আলম (৩৫) ও একই বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২)।

Model Hospital

এ ঘটনায় আহত শাহআলমের ভাই শাহ এমরান হোসেন বাদী হয়ে ২ জনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার তুলপাই মিয়াজী বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেন (৩২) বৃহস্পতিবার বিকালে কচুয়া আসার পথে কুটিয়া ভাঙ্গা মসজিদের সামনে আসা মাত্র ওই গ্রামের বাসিন্দা সিরাজ মিয়ার ছেলে এমরান মিয়া (২৬), করইশ গ্রামের আবু মিয়ার ছেলে তুহিন (২০) সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে ফারুক হোসেনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এসময় তারা ফারুক হোসেনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারিভাবে পিটিয়ে রক্তাত্ত জখম করে। ঘটনার সময় ফারুক হোসেনের চাচাতো ভাই তুলপাই গ্রামের আজিজ মিয়ার ছেলে শাহআলম মোটরসাইকেলযোগে ওই পথ দিয়ে কচুয়া বাজারে আসার পথে মারামারি দেখতে পেয়ে উভয়েকে থামানোর চেষ্টা করলে এমরান হোসেন ও তুহিন তাকেও বেধম মারধর করে সজ্ঞাহীন করে রাস্তায় ফেলে রাখে। এবং তার সাথে থাকা প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

একপর্যায়ে শাহআলম ঘটনাস্থলেই মলত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে শাহআলম ও ফারুক হোসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফারুক হোসেন জানান, বাজারের ফলের আড়ৎদার কুটিয়া গ্রামের এমরান হোসেনের কাছ থেকে আমি ফল নিয়ে বিক্রি করে আসছি। ফলের টাকা বাবদ ৩ হাজার টাকা এমরান পাবে। বৃহস্পতিবার সকালে এমরান হোসেন আমাদের বাড়িতে আসলে আমি তাকে সন্ধ্যার মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধ করবো বললে সে আমাকে গালমন্দ করে চলে আসে।

ওইদিন বিকালে কচুয়া বাজারে আসার পথে সে আমার পথ অবরোধ করে সাঙ্গ-পাঙ্গ দিয়ে আমার উপর হামলা চালায়। এসময় আমার চাচাতো ভাই শাহআলম ঘটনাস্থলে আসলে তাকেও তারা মারধর করে সজ্ঞাহীন করে ফেলে।

অভিযুক্ত এমরান হোসেনের বক্তব্য জানতে কুটিয়া গ্রামের তার বাড়িতে গেলে তাকে না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৮৮৫২৫০৬৭০ নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, তুলপাই গ্রামের শাহ এমরান কর্তৃক একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।