ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে এলজিইডি সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের কথা বলে মূল্যবান গাছ কর্তনের অভিযোগ

  • মাসুদ হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 377
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি সড়কের পাশ থেকে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের তলব করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের কুমারডুগী কেতুয়া এলজিইডি সড়কের পাশের গাজী বাড়ি সংলগ্ন ছোট বড় প্রায় ১১টি রেইনট্রি গাছ বিনা অনুমতিতে কেটে নিয়েছে স্থানীয় মৃত নুরুল ইসলাম গাজীর ছেলে জামাল হোসেন গাজী ও মৃত হাসান আলী বরকন্দাজের ছেলে জাকির হোসেন বরকন্দাজ।
এ ঘটনায় তাদেরকে আগামী রবিবার তলব করেছে ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু।
সড়কের পাশে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে কয়েকজন ইউপি সদস্যকে নিয়ে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, আমি চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে অবহিত করে দেখতে আসছি। সড়কের পাশের ১১টি গাছ কেটে ফেলেছে স্থানীয় কয়েকজন। তারা নাকি বন বিভাগের কর্মকর্তার কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি এনেছে। তারপরও লিখিত নোটিশের মাধ্যমে তাদেরকে আগামী রবিবার ইউনিয়ন পরিষদে ডেকেছি। তাদের সাথে কথা বলে ইউএনও মহোদয়ের পরামর্শে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামাল হোসেন গাজী ও জাকির হোসেন বরকন্দাজের সাথে বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) কথা হলে তারা জানান, এই রাস্তাটি প্রশস্তকরণের কাজের সুবিধার্থে আমরা বন বিভাগের কর্মকর্তার অনুমতি পেয়েই গাছগুলো কেটে রেখেছি। পরে অপশন দিয়ে বিক্রি করা হবে। আর এই গাছগুলো আমাদের লাগানোই গাছ।
এদিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, কুমারডুগী টু কেতুয়া সড়কের প্রশস্তকরণের কাজ চলাকালে ঠিকাদার আমাকে গাছগুলোর বিষয়ে জানালে আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখি এবং স্থানীয় উপকারভোগীদের সাথে কথা বললে তারা ২-১টি গাছের কথা বলেন। তাদেরকে তখন গাছগুলো কেটে রাখতে বলি এবং পরবর্তীতে অপশনের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করা হবে। কিন্তু এতগুলো গাছ কেটে ফেলবে তা আমি অবগত নই। তাই গাছগুলো এখন যেই অবস্থায় আছে সেভাবেই রেখে দিতে উপকারভোগীদের বলে দিয়েছি।
এছাড়া এলজিইডি কর্তৃপক্ষও আমাকে এখনো কোন চিঠি দেয়নি এ বিষয়ে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বিজয়ের গান গাইলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক রাজু

চাঁদপুরে এলজিইডি সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের কথা বলে মূল্যবান গাছ কর্তনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি সড়কের পাশ থেকে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের তলব করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের কুমারডুগী কেতুয়া এলজিইডি সড়কের পাশের গাজী বাড়ি সংলগ্ন ছোট বড় প্রায় ১১টি রেইনট্রি গাছ বিনা অনুমতিতে কেটে নিয়েছে স্থানীয় মৃত নুরুল ইসলাম গাজীর ছেলে জামাল হোসেন গাজী ও মৃত হাসান আলী বরকন্দাজের ছেলে জাকির হোসেন বরকন্দাজ।
এ ঘটনায় তাদেরকে আগামী রবিবার তলব করেছে ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু।
সড়কের পাশে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে কয়েকজন ইউপি সদস্যকে নিয়ে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, আমি চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে অবহিত করে দেখতে আসছি। সড়কের পাশের ১১টি গাছ কেটে ফেলেছে স্থানীয় কয়েকজন। তারা নাকি বন বিভাগের কর্মকর্তার কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি এনেছে। তারপরও লিখিত নোটিশের মাধ্যমে তাদেরকে আগামী রবিবার ইউনিয়ন পরিষদে ডেকেছি। তাদের সাথে কথা বলে ইউএনও মহোদয়ের পরামর্শে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামাল হোসেন গাজী ও জাকির হোসেন বরকন্দাজের সাথে বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) কথা হলে তারা জানান, এই রাস্তাটি প্রশস্তকরণের কাজের সুবিধার্থে আমরা বন বিভাগের কর্মকর্তার অনুমতি পেয়েই গাছগুলো কেটে রেখেছি। পরে অপশন দিয়ে বিক্রি করা হবে। আর এই গাছগুলো আমাদের লাগানোই গাছ।
এদিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, কুমারডুগী টু কেতুয়া সড়কের প্রশস্তকরণের কাজ চলাকালে ঠিকাদার আমাকে গাছগুলোর বিষয়ে জানালে আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখি এবং স্থানীয় উপকারভোগীদের সাথে কথা বললে তারা ২-১টি গাছের কথা বলেন। তাদেরকে তখন গাছগুলো কেটে রাখতে বলি এবং পরবর্তীতে অপশনের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করা হবে। কিন্তু এতগুলো গাছ কেটে ফেলবে তা আমি অবগত নই। তাই গাছগুলো এখন যেই অবস্থায় আছে সেভাবেই রেখে দিতে উপকারভোগীদের বলে দিয়েছি।
এছাড়া এলজিইডি কর্তৃপক্ষও আমাকে এখনো কোন চিঠি দেয়নি এ বিষয়ে।