ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গ্রামীণ হাট-বাজারগুলোতেও লাগামহীন সবজির দাম

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হাট-বাজারগুলোতে প্রশাসনিক কোনো তদারকি না থাকায় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে সবজির বাজার। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও লাগামহীন সবজির দাম। প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না।

Model Hospital

মুলার আটি, ডাটা শাক, কাঁচা পেঁপে ছিল সবচেয়ে কম দাম, সেটিও রবিবার পর্যন্ত অর্ধশত পূরণ করেছে। এখন সব রকম শাক-সবজির দাম উর্ধ্বমুখি।

রবিবার (৫ নবেম্বর) মতলব উত্তরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আলু ৭০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, ঢেঁড়শ ১২০ টাকা, মান ও সাইজ অনুপাতে লাউ ১০০-১২০ টাকা, জালি ৮০ টাকা, ধুন্দল ৯০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা। যা গেল সপ্তাহের চেয়ে বেশি।

এ ছাড়াও নতুন সবজি হিসেবে মুলা ৪০ টাকা আটি, কচুর মুখি প্রতি কেজি ৯০ টাকা, পুঁই শাক ৫০ টাকা, পাট শাক আটি ২০-৩০ টাকা, লাল শাক ৩০-৪০ টাকা আটি বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় গ্রাম বাংলার হাট বাজারে, ফুটপাতের দোকানগুলোতেও একই দাম থাকায় ক্রেতারা হাটে এসে বিভিন্ন শাক-সবজির দোকানে এপাশ ওপাশ করছে, শেষে কোনো রকম একটি মূলার আটি নিয়েই ঘরে ফিরছে নিম্ন আয়ের মানুষ।

প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ এখন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের সরবরাহ প্রচুর থাকলেও কমছে না দাম। দেশি পেঁয়াজ ১৪০-১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে একটু নিম্নমানেরটা ১৪০-১৫০ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

এভাবে গত কয়েক দিন ধরে বেড়োই চলেছে আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির দাম। বাড়তি দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বিজয়ের গান গাইলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক রাজু

গ্রামীণ হাট-বাজারগুলোতেও লাগামহীন সবজির দাম

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হাট-বাজারগুলোতে প্রশাসনিক কোনো তদারকি না থাকায় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে সবজির বাজার। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও লাগামহীন সবজির দাম। প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না।

Model Hospital

মুলার আটি, ডাটা শাক, কাঁচা পেঁপে ছিল সবচেয়ে কম দাম, সেটিও রবিবার পর্যন্ত অর্ধশত পূরণ করেছে। এখন সব রকম শাক-সবজির দাম উর্ধ্বমুখি।

রবিবার (৫ নবেম্বর) মতলব উত্তরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আলু ৭০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, ঢেঁড়শ ১২০ টাকা, মান ও সাইজ অনুপাতে লাউ ১০০-১২০ টাকা, জালি ৮০ টাকা, ধুন্দল ৯০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা। যা গেল সপ্তাহের চেয়ে বেশি।

এ ছাড়াও নতুন সবজি হিসেবে মুলা ৪০ টাকা আটি, কচুর মুখি প্রতি কেজি ৯০ টাকা, পুঁই শাক ৫০ টাকা, পাট শাক আটি ২০-৩০ টাকা, লাল শাক ৩০-৪০ টাকা আটি বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় গ্রাম বাংলার হাট বাজারে, ফুটপাতের দোকানগুলোতেও একই দাম থাকায় ক্রেতারা হাটে এসে বিভিন্ন শাক-সবজির দোকানে এপাশ ওপাশ করছে, শেষে কোনো রকম একটি মূলার আটি নিয়েই ঘরে ফিরছে নিম্ন আয়ের মানুষ।

প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ এখন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের সরবরাহ প্রচুর থাকলেও কমছে না দাম। দেশি পেঁয়াজ ১৪০-১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে একটু নিম্নমানেরটা ১৪০-১৫০ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

এভাবে গত কয়েক দিন ধরে বেড়োই চলেছে আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির দাম। বাড়তি দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।