ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে দীর্ঘ ২১ বছর পর বেদখলকৃত সম্পত্তি ফিরিয়ে দিল আদালত

চাঁদপুর পৌরসভার স্ট্যান্ড রোডে দীর্ঘ ২১ বছর পর আদালতের মাধ্যমে বেদখলকৃত সম্পত্তি ফিরে পেল ভুক্তভোগী পরিবার।

Model Hospital

গতকাল বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চাঁদপুর সদর উপজেলার মাধ্যমে লাল নিশান টানিয়ে ভূমি সার্ভে করে ভুক্তভোগী পরিবারকে সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় ভুক্তভোগীদের সম্পত্তিতে জোরপূর্ব দখলকারীদের উচ্ছেদ করা হয়।

সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চাঁদপুর সদর উপজেলার পক্ষে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেদায়েত উল্যাহ। অভিযান কালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জজ আদালতের নায়েব নাজির গাফফার খান নাদিম।

এছাড়াও ৬নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর সোহেল রানাসহ জনপ্রতিনিধি, সদর মডেল থানা পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেদায়েত উল্যাহ বলেন, আমরা আদালতের রায় বাস্তবায়ন করতে এসেছি, এছাড়া আমাদের আর কোন বক্তব্য নেই। কারো কোন অভিযোগ থাকলে তারা আদালতের শরণাপন্ন হতে পারে।

জেলা জজ আদালতের নায়েব নাজির গাফফার খান নাদিম জানান, চাঁদপুর পৌরসভার উত্তর শ্রীরামদী কোড়ালীয়া রোড এলাকার ভুক্তভোগী সরাফত আলী দেওয়ান ২০০৩ সালে বাদী হয়ে চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৪৯/২০০৩। দীর্ঘদিন মামলা চলে আসার পর ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি মাসে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চাঁদপুর সদর মামলাটির রায় ঘোষণা ও ডিগ্রি জারি করেন।

এতে বাদী সরাফত আলী দেওয়ান ৩ তলা একটি ভবনসহ সম্পত্তি ফিরে পান। আদালতের রায় অনুযায়ী আজকে আমরা ঘটনাস্থলে এসে ভূমি সার্ভে করে লাল নিশান টানিয়ে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করছি। এছাড়া বাদীর প্রাপ্ত সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে এবং আদালতের রায় কার্যকর করতে ব্যবস্থা নিয়েছি। আদালতের রায় কার্যকর করতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আমাদেরকে সহযোগিতা করছে।

মামলার বাদী সরাফত আলী দেওয়ানের ছেলে ভুক্তভোগী মন্টু দেওয়ান জানান, দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর যাবত আমরা আমাদের সম্পত্তি বুঝে পাইনি। পরে আমরা আদালতের শরণাপন্ন হলে জেলা জজ আদালত ন্যায় বিচারের রায় দিয়েছেন। আদালতের রায়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের সম্পত্তি ফিরে পেয়েছি। আজকে আদালত লাল নিশান টানিয়ে আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিচ্ছে। আমরা আদালতের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কেও ধন্যবাদ জানাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাব চাঁদপুরের আয়োজনে বাজার পরিস্থিতি ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক মত বিনিময় সভা

চাঁদপুরে দীর্ঘ ২১ বছর পর বেদখলকৃত সম্পত্তি ফিরিয়ে দিল আদালত

আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩
চাঁদপুর পৌরসভার স্ট্যান্ড রোডে দীর্ঘ ২১ বছর পর আদালতের মাধ্যমে বেদখলকৃত সম্পত্তি ফিরে পেল ভুক্তভোগী পরিবার।

Model Hospital

গতকাল বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চাঁদপুর সদর উপজেলার মাধ্যমে লাল নিশান টানিয়ে ভূমি সার্ভে করে ভুক্তভোগী পরিবারকে সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় ভুক্তভোগীদের সম্পত্তিতে জোরপূর্ব দখলকারীদের উচ্ছেদ করা হয়।

সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চাঁদপুর সদর উপজেলার পক্ষে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেদায়েত উল্যাহ। অভিযান কালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জজ আদালতের নায়েব নাজির গাফফার খান নাদিম।

এছাড়াও ৬নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর সোহেল রানাসহ জনপ্রতিনিধি, সদর মডেল থানা পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেদায়েত উল্যাহ বলেন, আমরা আদালতের রায় বাস্তবায়ন করতে এসেছি, এছাড়া আমাদের আর কোন বক্তব্য নেই। কারো কোন অভিযোগ থাকলে তারা আদালতের শরণাপন্ন হতে পারে।

জেলা জজ আদালতের নায়েব নাজির গাফফার খান নাদিম জানান, চাঁদপুর পৌরসভার উত্তর শ্রীরামদী কোড়ালীয়া রোড এলাকার ভুক্তভোগী সরাফত আলী দেওয়ান ২০০৩ সালে বাদী হয়ে চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৪৯/২০০৩। দীর্ঘদিন মামলা চলে আসার পর ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি মাসে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চাঁদপুর সদর মামলাটির রায় ঘোষণা ও ডিগ্রি জারি করেন।

এতে বাদী সরাফত আলী দেওয়ান ৩ তলা একটি ভবনসহ সম্পত্তি ফিরে পান। আদালতের রায় অনুযায়ী আজকে আমরা ঘটনাস্থলে এসে ভূমি সার্ভে করে লাল নিশান টানিয়ে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করছি। এছাড়া বাদীর প্রাপ্ত সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে এবং আদালতের রায় কার্যকর করতে ব্যবস্থা নিয়েছি। আদালতের রায় কার্যকর করতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আমাদেরকে সহযোগিতা করছে।

মামলার বাদী সরাফত আলী দেওয়ানের ছেলে ভুক্তভোগী মন্টু দেওয়ান জানান, দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর যাবত আমরা আমাদের সম্পত্তি বুঝে পাইনি। পরে আমরা আদালতের শরণাপন্ন হলে জেলা জজ আদালত ন্যায় বিচারের রায় দিয়েছেন। আদালতের রায়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের সম্পত্তি ফিরে পেয়েছি। আজকে আদালত লাল নিশান টানিয়ে আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিচ্ছে। আমরা আদালতের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কেও ধন্যবাদ জানাই।