ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মোহনপুর ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থীর মিছিলে বিদ্রোহী প্রার্থীর গুলি, আহত ৫

মতলব উত্তর প্রতিনিধি : মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হাই প্রধান তার কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা, নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাই প্রধান বলেন, আমি মো. আব্দুল হাই প্রধান আসন্ন মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচনে  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আমি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করি। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অটোরিকসা প্রতীকের কাজী মিজানুর রহমান কর্মী সমর্থকরা নৌকার প্রচারণায় বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং পুলিশি হয়রানি করছে।
আজ মঙ্গলবার প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে শান্তি শৃঙ্খলভাবে মোহনপুর বাজার থেকে মুদাফর বাজারে যাওয়ার পথে বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মিজানুর রহমানের ভাই মতিন কাজী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বহিরাগতদের সাথে  নিয়ে আমার মিছিলে আক্রমন করে ১জনকে গুলিবিদ্ধ সহ ৫ জনকে মারাত্মকভাবে আহত করে। শুধু তাই নয় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো এলাকাকে অশান্তির রাজ্যে পরিনত করছে। আমার প্রচারনা করার সময় পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছোবহান সরকার সুভার গাড়ি ভাংচুর করে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা আমি একাধীকবার পুলিশি সহায়তা চেয়েও পাইনি। উল্টো পুলিশ আমার কর্মীদের উপর চড়াও হয়ে লাঠিপেটা করে আহত করে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অনীতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা মতলব উত্তর ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এসআই হানিফ সহ আরো কয়েকজনকে শাস্তিমূলক বদলী ও বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মিজানুর রহমানের বাড়ী তল্লাশী করে বহিরাগত ক্যাডারদের আটক ও মোহনপুর পর্যটনকেন্দ্র তল্লাশী করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান। এবং বিদ্রোহী প্রার্থীর মিথ্যা মামলায় যেন কাউকে হয়রানি না করা হয়। সে ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস বলেন, স্বাধীনতার প্রতিক, উন্নয়নের প্রতিক নৌকা।  এই নৌকার মাঝি বা সমর্থকদের উপর বিদ্রোহী প্রার্থীর হামলা তা মেনে নেওয়া যায়না। তিনি অনীতিবিলম্বে বিদ্রোহী প্রার্থীর বাড়ীতে আশ্রয় নেওয়া বহিরাগত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন হাওলাদারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (এসি মিজান), সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার, শাহজাহান প্রধান, আওয়ামী লীগে উপ কমিটির সদস্য আহসান উল্ল্যাহ হাসান, উপজেলা সভাপতি দেওয়ান মো. জহির, সাধারন সম্পাদক কাজী শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম ডাবলু, প্রয়াত বাবুল চৌধুরীর ছেলে মুহিবুল হক চৌধুরী সুমিত, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শরিফ প্রধান’সহ মোহনপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও তার ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীর এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ট্যাগস :

বিশাল মিছিল নিয়ে রাজপথে বুয়েট শিক্ষার্থীরা

মোহনপুর ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থীর মিছিলে বিদ্রোহী প্রার্থীর গুলি, আহত ৫

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩
মতলব উত্তর প্রতিনিধি : মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হাই প্রধান তার কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা, নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাই প্রধান বলেন, আমি মো. আব্দুল হাই প্রধান আসন্ন মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচনে  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আমি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করি। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অটোরিকসা প্রতীকের কাজী মিজানুর রহমান কর্মী সমর্থকরা নৌকার প্রচারণায় বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং পুলিশি হয়রানি করছে।
আজ মঙ্গলবার প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে শান্তি শৃঙ্খলভাবে মোহনপুর বাজার থেকে মুদাফর বাজারে যাওয়ার পথে বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মিজানুর রহমানের ভাই মতিন কাজী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বহিরাগতদের সাথে  নিয়ে আমার মিছিলে আক্রমন করে ১জনকে গুলিবিদ্ধ সহ ৫ জনকে মারাত্মকভাবে আহত করে। শুধু তাই নয় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো এলাকাকে অশান্তির রাজ্যে পরিনত করছে। আমার প্রচারনা করার সময় পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছোবহান সরকার সুভার গাড়ি ভাংচুর করে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা আমি একাধীকবার পুলিশি সহায়তা চেয়েও পাইনি। উল্টো পুলিশ আমার কর্মীদের উপর চড়াও হয়ে লাঠিপেটা করে আহত করে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অনীতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা মতলব উত্তর ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এসআই হানিফ সহ আরো কয়েকজনকে শাস্তিমূলক বদলী ও বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মিজানুর রহমানের বাড়ী তল্লাশী করে বহিরাগত ক্যাডারদের আটক ও মোহনপুর পর্যটনকেন্দ্র তল্লাশী করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান। এবং বিদ্রোহী প্রার্থীর মিথ্যা মামলায় যেন কাউকে হয়রানি না করা হয়। সে ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস বলেন, স্বাধীনতার প্রতিক, উন্নয়নের প্রতিক নৌকা।  এই নৌকার মাঝি বা সমর্থকদের উপর বিদ্রোহী প্রার্থীর হামলা তা মেনে নেওয়া যায়না। তিনি অনীতিবিলম্বে বিদ্রোহী প্রার্থীর বাড়ীতে আশ্রয় নেওয়া বহিরাগত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন হাওলাদারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (এসি মিজান), সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার, শাহজাহান প্রধান, আওয়ামী লীগে উপ কমিটির সদস্য আহসান উল্ল্যাহ হাসান, উপজেলা সভাপতি দেওয়ান মো. জহির, সাধারন সম্পাদক কাজী শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম ডাবলু, প্রয়াত বাবুল চৌধুরীর ছেলে মুহিবুল হক চৌধুরী সুমিত, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শরিফ প্রধান’সহ মোহনপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও তার ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীর এ সময় উপস্থিত ছিলেন।