ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর সদরের মৈশাদীতে এগিয়ে চলছে চতুর্থ ধাপের ৭০টি ঘর নির্মানের কাজ

সজীব খান : আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার, চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪র্থ পর্যায়ের ৭০টি ঘর নির্মানের কাজ চলছে।

Model Hospital

সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের সরকার জমি অধিগ্রহন করে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ করছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ প্রকল্পের কাজ নিবিড় মনিটরিং করছেন। প্রতিনিয়ত কাজগুলোর তিনি তত্ত্বাবধায়ন করে নিয়মানুসারে করে চলছেন।

সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম তিনিও যথা নিয়মে কাজগুলো হয় তার জন্য নির্মানাধীনস্থানের মালামালসহ যাবতীয় খোঁজ খবর নিচ্ছেন, সরজমিনে যাচ্ছেন।
এক একটি ঘর এক একটি অসহায় পরিবারের অসহায় জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। আর তাই এ গল্পে নীরব শব্দ হয়ে থাকার জন্যই নিয়মিত সদর উপজেলার প্রশাসন পরিদর্শন করছেন।

সদর উপজেলার ৪র্থ পর্যায়ের ৭০টি ঘর নির্মাণ হলেই উপকার ভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

মৈশাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার রিয়াজ উদ্দিন রাজু সদর উপজেলা প্রশাসনের মনোনীত ব্যাক্তি হিসেবে কাজগুলো দেখাশুনা করে যাচ্ছেন। মালামালগুলো যাতে কোন প্রকার নরচড় হতে না পারে তার জন্যও রিয়াজ উদ্দিন রাজু সার্বিক্ষণিক সেখানে দেখবাল করে যাচ্ছেন।

রিয়াজ উদ্দিন রাজু বলেন, সরকারের আশ্রয়ণ অশ্রল্পের কাজগুলো নির্মানে যাতে সঠিক ভাবে করা হয়, তার জন্য উপজেলা প্রশাসন আমাকে দেখবাল করার জন্য রেখেছেন। আমি সরকারের এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের মালামালগুলো যাতে চুরি না হতে পারে সেজন্য সার্বক্ষনিক থাকছি।

মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম তিনি ও খোঁজ খবর রাখছেন।

ট্যাগস :

বিশাল মিছিল নিয়ে রাজপথে বুয়েট শিক্ষার্থীরা

চাঁদপুর সদরের মৈশাদীতে এগিয়ে চলছে চতুর্থ ধাপের ৭০টি ঘর নির্মানের কাজ

আপডেট সময় : ০৩:০০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩

সজীব খান : আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার, চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪র্থ পর্যায়ের ৭০টি ঘর নির্মানের কাজ চলছে।

Model Hospital

সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের সরকার জমি অধিগ্রহন করে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ করছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ প্রকল্পের কাজ নিবিড় মনিটরিং করছেন। প্রতিনিয়ত কাজগুলোর তিনি তত্ত্বাবধায়ন করে নিয়মানুসারে করে চলছেন।

সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম তিনিও যথা নিয়মে কাজগুলো হয় তার জন্য নির্মানাধীনস্থানের মালামালসহ যাবতীয় খোঁজ খবর নিচ্ছেন, সরজমিনে যাচ্ছেন।
এক একটি ঘর এক একটি অসহায় পরিবারের অসহায় জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। আর তাই এ গল্পে নীরব শব্দ হয়ে থাকার জন্যই নিয়মিত সদর উপজেলার প্রশাসন পরিদর্শন করছেন।

সদর উপজেলার ৪র্থ পর্যায়ের ৭০টি ঘর নির্মাণ হলেই উপকার ভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

মৈশাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার রিয়াজ উদ্দিন রাজু সদর উপজেলা প্রশাসনের মনোনীত ব্যাক্তি হিসেবে কাজগুলো দেখাশুনা করে যাচ্ছেন। মালামালগুলো যাতে কোন প্রকার নরচড় হতে না পারে তার জন্যও রিয়াজ উদ্দিন রাজু সার্বিক্ষণিক সেখানে দেখবাল করে যাচ্ছেন।

রিয়াজ উদ্দিন রাজু বলেন, সরকারের আশ্রয়ণ অশ্রল্পের কাজগুলো নির্মানে যাতে সঠিক ভাবে করা হয়, তার জন্য উপজেলা প্রশাসন আমাকে দেখবাল করার জন্য রেখেছেন। আমি সরকারের এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের মালামালগুলো যাতে চুরি না হতে পারে সেজন্য সার্বক্ষনিক থাকছি।

মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম তিনি ও খোঁজ খবর রাখছেন।