ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিদেশের আদলে বাংলাদেশেই হচ্ছে অত্যাধুনিক হাসপাতাল : প্রক্টর ডা. দুলাল

মাসুদ হোসেন : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের দিকে দেশি বিদেশি চক্রান্তকারীরা এ দেশটাকে ধ্বংস করার পায়তারা করেছিল। এসময় স্বাধীনতার বিরোধী যারা ছিল তারা সক্রীয় ছিল এ দেশটাকে জাহান্নামে বানানোর জন্য। যার ফলশ্রুতিতে আমরা হারিয়েছি আমাদের ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ তার স্বপরিবারকে।
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে হয়তো এ দেশের চেহারা অন্যরকম হতো। সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া যে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশটাকে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ অনন্য অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত। পার্শ্ববর্তী দেশগুলি থেকে বাংলাদেশ আজ অনেক উপরে এগিয়ে গেছে। আমি কিছুদিন আগে ভারতে গিয়েছিলাম একটা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স করার জন্য। ওখানে গিয়ে যা দেখলাম তারা গত ১০ বছর আগে যা দূর্ব্যবহার করতো এখন তা রাতারাতি পাল্টে গিয়েছে।
এখন আমাদেরকে তারা সম্মান করে। কারন আমাদের দেশের প্রতিটি সেক্টরের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যতদিন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে ক্ষমতা থাকবে ২০৪১ সালের মধ্যে এ দেশ উন্নত দেশের কাতারে যাবে ইনশাআল্লাহ।
বৃহস্পতিবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা যারা ক্ষুদে শিক্ষার্থী আছো তোমরা এ দেশের জন্য যুদ্ধ করবে। এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তোমাদেরও ভূমিকা থাকতে হবে। আমাদের বাল্যসময় স্বপ্ন ছিল মেট্রো রেল হবে, কেউ কল্পনা করে নাই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হবে, চিনের আদলে কর্ণফুলী টার্নেল হবে, সেটা আজ বাংলাদেশে হয়েছে। এতে অনেকেই সর্য্য করতে পারে নাই। আমরা হয়তো কোন একটা দলকে সাপোর্ট করি, কোন উদ্দেশ্য আছে।
এ দেশকে যারা উন্নতি করবে আমরা তাদের সাথেই আছি। শিক্ষার্থীরা ভালো মত পড়াশোনা করে কোন এক আদর্শকে ধারন করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যদি সবাই সবার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি তাহলে এদেশ আর এ দেশ থাকবে না। কারন জননেত্রী শেখ হাসিনা এই বয়সেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে দায়িত্ব দেবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঁচ’শ শয্যা বিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজ্ড হাসপাতাল হচ্ছে। এটা ওনার-ই স্বপ্ন। কারন প্রতি বছর আমাদের দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে চলে যায় শুধু ব্যবস্থাপনার অভাবে।
বিভিন্ন সার্জারীর জন্য এই হাসপাতালের সামনে যে বাংলাদেশ বেতার ভবন আছে, তিনি সেটিও আমাদেরকে দিয়েছেন একটি একাডেমিক ভবন, মাল্ট্রি স্টোক এবং স্পেশাল কিছু সার্ভিস যেটা বাংলাদেশে হয়না সেগুলো যাতে এখানে হয়। এরকম স্বপ্নদ্রষ্টা না হলে কারো পক্ষে সম্ভব না। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত আজ অনেক উন্নত।
বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ানের সভাপতিত্বে ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম ফজলুল হক মিয়া, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী।
এসময় ঢাকার উত্তরা উইমেন্স কলেজের প্রভাষক মিস ফারাদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ শহীদ উল্যাহ খান, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মিয়া, প্রাক্তন শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাফেজ খান, মৈশাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহালম মিয়া, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবিএম রেজওয়ানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
ট্যাগস :

বিশাল মিছিল নিয়ে রাজপথে বুয়েট শিক্ষার্থীরা

বিদেশের আদলে বাংলাদেশেই হচ্ছে অত্যাধুনিক হাসপাতাল : প্রক্টর ডা. দুলাল

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
মাসুদ হোসেন : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের দিকে দেশি বিদেশি চক্রান্তকারীরা এ দেশটাকে ধ্বংস করার পায়তারা করেছিল। এসময় স্বাধীনতার বিরোধী যারা ছিল তারা সক্রীয় ছিল এ দেশটাকে জাহান্নামে বানানোর জন্য। যার ফলশ্রুতিতে আমরা হারিয়েছি আমাদের ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ তার স্বপরিবারকে।
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে হয়তো এ দেশের চেহারা অন্যরকম হতো। সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া যে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশটাকে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ অনন্য অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত। পার্শ্ববর্তী দেশগুলি থেকে বাংলাদেশ আজ অনেক উপরে এগিয়ে গেছে। আমি কিছুদিন আগে ভারতে গিয়েছিলাম একটা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স করার জন্য। ওখানে গিয়ে যা দেখলাম তারা গত ১০ বছর আগে যা দূর্ব্যবহার করতো এখন তা রাতারাতি পাল্টে গিয়েছে।
এখন আমাদেরকে তারা সম্মান করে। কারন আমাদের দেশের প্রতিটি সেক্টরের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যতদিন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে ক্ষমতা থাকবে ২০৪১ সালের মধ্যে এ দেশ উন্নত দেশের কাতারে যাবে ইনশাআল্লাহ।
বৃহস্পতিবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা যারা ক্ষুদে শিক্ষার্থী আছো তোমরা এ দেশের জন্য যুদ্ধ করবে। এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তোমাদেরও ভূমিকা থাকতে হবে। আমাদের বাল্যসময় স্বপ্ন ছিল মেট্রো রেল হবে, কেউ কল্পনা করে নাই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হবে, চিনের আদলে কর্ণফুলী টার্নেল হবে, সেটা আজ বাংলাদেশে হয়েছে। এতে অনেকেই সর্য্য করতে পারে নাই। আমরা হয়তো কোন একটা দলকে সাপোর্ট করি, কোন উদ্দেশ্য আছে।
এ দেশকে যারা উন্নতি করবে আমরা তাদের সাথেই আছি। শিক্ষার্থীরা ভালো মত পড়াশোনা করে কোন এক আদর্শকে ধারন করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যদি সবাই সবার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি তাহলে এদেশ আর এ দেশ থাকবে না। কারন জননেত্রী শেখ হাসিনা এই বয়সেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে দায়িত্ব দেবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঁচ’শ শয্যা বিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজ্ড হাসপাতাল হচ্ছে। এটা ওনার-ই স্বপ্ন। কারন প্রতি বছর আমাদের দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে চলে যায় শুধু ব্যবস্থাপনার অভাবে।
বিভিন্ন সার্জারীর জন্য এই হাসপাতালের সামনে যে বাংলাদেশ বেতার ভবন আছে, তিনি সেটিও আমাদেরকে দিয়েছেন একটি একাডেমিক ভবন, মাল্ট্রি স্টোক এবং স্পেশাল কিছু সার্ভিস যেটা বাংলাদেশে হয়না সেগুলো যাতে এখানে হয়। এরকম স্বপ্নদ্রষ্টা না হলে কারো পক্ষে সম্ভব না। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত আজ অনেক উন্নত।
বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ানের সভাপতিত্বে ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম ফজলুল হক মিয়া, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী।
এসময় ঢাকার উত্তরা উইমেন্স কলেজের প্রভাষক মিস ফারাদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ শহীদ উল্যাহ খান, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মিয়া, প্রাক্তন শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাফেজ খান, মৈশাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহালম মিয়া, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবিএম রেজওয়ানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।