ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপির আমলে দেশে আইনের শাসন ছিলো না: শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি

মনিরুল ইসলাম মনির: আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপি ভেঙে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, নির্বাচনে না আসলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। বিএনপির বহুলোক আওয়ামী লীগে যোগ দিতে আলাপ করতে পারে, অন্যান্য দলেও চলে যেতে পারে।

Model Hospital

১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকালে মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজার মাঠে দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপি জামায়াত অশুভ শক্তির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কোন পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে না। বিএনপি যাতে আন্দোলনের নামে ২০১৫ সালের মতো তান্ডব সৃষ্টি করতে না পারে, এবং দেশকে অস্থির করে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে না পারে, সেজন্যই এই শান্তি সমাবেশের আয়োজন। এর মাধ্যমে আমরা আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে সচেতন করছি ও সক্রিয় রাখছি। এ সমাবেশ মানুষের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য।

তিনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলন কর্মসূচি করুক, কোনক্রমেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। আগে ঢাকায় আন্দোলন করতো বিএনপি, সেখানে ব্যর্থ হয়ে তারা বিভাগে, জেলায় আন্দোলন কর্মসূচি দিয়েছে, আর এখন ইউনিয়নে ইউনিয়নে কর্মসূচি দিচ্ছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচির মাধ্যমে সেই দায়িত্ব পালন করছে। বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি থেকেও নিরাপদ দূরে থাকছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছে জনগণ। জনগণই আওয়ামী লীগের পাহারাদার। আন্দোলনে সরকারের পতন হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়মী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার পাঁয়তারা করছে। তারা যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের এহেন ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব রাজপথে মোকাবিলা করবে আওয়ামী লীগ। আ.লীগকে শেষ করতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ তার পরিবারকে হত্যা করেছে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হতয়ার চেষ্টা করছে স্বাধীনতা বিরুদ্ধী জামাত বিএনপি।

ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা ও রাজনীতির পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হলে রাজপথে তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। রাজনীতির নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। রাজপথে তাদেরকে সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ ক্দ্দুুস।

দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলম প্রধানের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন প্রধানের পরিচালনায় আরো বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়মীলীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, শহীদ উল্লাহ মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. রেজাউল করিম, সাবেক ছাত্রনেতা মিরাজ খালিদ, ছেংগারচর পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামান সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, জেলা মহিলা আওয়মী লীগ নেত্রী সালেহা বেগম সুখী, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য তাসলিমা আক্তার আঁখি, মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা ওয়াজ কুরুনী, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুর নবী খান প্রমুখ।

ট্যাগস :

বিশাল মিছিল নিয়ে রাজপথে বুয়েট শিক্ষার্থীরা

বিএনপির আমলে দেশে আইনের শাসন ছিলো না: শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মনিরুল ইসলাম মনির: আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপি ভেঙে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, নির্বাচনে না আসলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। বিএনপির বহুলোক আওয়ামী লীগে যোগ দিতে আলাপ করতে পারে, অন্যান্য দলেও চলে যেতে পারে।

Model Hospital

১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকালে মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজার মাঠে দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপি জামায়াত অশুভ শক্তির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কোন পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে না। বিএনপি যাতে আন্দোলনের নামে ২০১৫ সালের মতো তান্ডব সৃষ্টি করতে না পারে, এবং দেশকে অস্থির করে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে না পারে, সেজন্যই এই শান্তি সমাবেশের আয়োজন। এর মাধ্যমে আমরা আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে সচেতন করছি ও সক্রিয় রাখছি। এ সমাবেশ মানুষের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য।

তিনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলন কর্মসূচি করুক, কোনক্রমেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। আগে ঢাকায় আন্দোলন করতো বিএনপি, সেখানে ব্যর্থ হয়ে তারা বিভাগে, জেলায় আন্দোলন কর্মসূচি দিয়েছে, আর এখন ইউনিয়নে ইউনিয়নে কর্মসূচি দিচ্ছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচির মাধ্যমে সেই দায়িত্ব পালন করছে। বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি থেকেও নিরাপদ দূরে থাকছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছে জনগণ। জনগণই আওয়ামী লীগের পাহারাদার। আন্দোলনে সরকারের পতন হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়মী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার পাঁয়তারা করছে। তারা যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের এহেন ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব রাজপথে মোকাবিলা করবে আওয়ামী লীগ। আ.লীগকে শেষ করতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ তার পরিবারকে হত্যা করেছে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হতয়ার চেষ্টা করছে স্বাধীনতা বিরুদ্ধী জামাত বিএনপি।

ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা ও রাজনীতির পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হলে রাজপথে তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। রাজনীতির নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। রাজপথে তাদেরকে সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ ক্দ্দুুস।

দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলম প্রধানের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন প্রধানের পরিচালনায় আরো বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়মীলীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, শহীদ উল্লাহ মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. রেজাউল করিম, সাবেক ছাত্রনেতা মিরাজ খালিদ, ছেংগারচর পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামান সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, জেলা মহিলা আওয়মী লীগ নেত্রী সালেহা বেগম সুখী, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য তাসলিমা আক্তার আঁখি, মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা ওয়াজ কুরুনী, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুর নবী খান প্রমুখ।