ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাইমচরে সড়ক দূুর্ঘটনায় শিশু নিহত ও আরেক কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় সড়ক দূর্ঘটনায় ৭ বছর বয়সের এক শিশু নিহত ও ১৫ বছর বয়সের এক কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দূর্ঘটনায় নিহত রাকিব হাইমচর উপজেলা আলগী দক্ষিন ইউনিয়নের চরভাঙ্গা গ্রামের রুবেল পাটওয়ারীর একমাত্র সন্তান।
১৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় তার বাড়ির সামনের সড়কেই এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। সন্ধ্যা ৬টায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন একই ইউনিয়নের পশ্চিমচরকৃষ্ণপুর গ্রামের তার নানার বাড়িতে। মৃত নাহিদ নারায়নগঞ্জ একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীর ছাত্র ছিলেন। তার বয়স ছিল (১৫)। একই দিনে এক ঘন্টার ব্যবধানে দুটি দূর্ঘটনায় হাইমচর উপজেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জানাজায়, হাইমচর উপজেলার চরভাঙ্গা গ্রামে কালাচকিদার মোড় সুলতান ডাক্তারের একই বাড়ির রুবেল পাটওয়ারীর একমাত্র ছেলে রাকিব বাড়ির পাশের দোকান থেকে রাস্তা পাড় হওয়ার সময় চাঁদপুর-চরভৈরবী হাইওয়ে সড়কে চরভৈরবী থেকে আসা বাংলাদেশ ট্রান্সফোর্ট এজন্সেী  কাভার্ড ভ্যানটি চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই শিশুটি মারা যায়। স্থানীয় লোকজন গাড়ীর ড্রাইভারকে আটক করে শিশুটি হাইমচর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। আটককৃত ড্রাইভারকে আটক করেন হাইমচর থানা পুলিশ এবং কাভার্ড ভ্যানটি হাইমচর থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়।
অপরদিকে উপজেলার পশ্চিমচরকৃষ্ণপুর গ্রামের সোনা মিয়া বেপারী বাড়িতে বেড়াতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নাহিদ। সন্ধ্যা ৬ টায় তার খালা ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সে নহিদকে ডাকতে থাকে। ভিতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায়। সে তার ননদের ছেলেকে ডেকে এনে ঘরের দরজা ভেঙ্গে দেখেন ঘরের ফ্যানের সাথে গামছা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে জুলে আছে। তিনি তাকে ফাঁস থেকে নামিয়ে হাইমচর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত শিশু ও আত্মহত্যা করা কিশোরের লাস হাইমচর থানা পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।
হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ আশরাফ উদ্দিন জানান, আমরা সড়ক দূর্ঘটনা ও আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পেরেছি। কাভার্ড ভ্যান ও গাড়ির ড্রাইভারকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। লাস দুটিকে ময়নাতদন্ত করার জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুটি ঘটনাই বিস্তারিত ভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ট্যাগস :

হাইমচরে সড়ক দূুর্ঘটনায় শিশু নিহত ও আরেক কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় সড়ক দূর্ঘটনায় ৭ বছর বয়সের এক শিশু নিহত ও ১৫ বছর বয়সের এক কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দূর্ঘটনায় নিহত রাকিব হাইমচর উপজেলা আলগী দক্ষিন ইউনিয়নের চরভাঙ্গা গ্রামের রুবেল পাটওয়ারীর একমাত্র সন্তান।
১৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় তার বাড়ির সামনের সড়কেই এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। সন্ধ্যা ৬টায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন একই ইউনিয়নের পশ্চিমচরকৃষ্ণপুর গ্রামের তার নানার বাড়িতে। মৃত নাহিদ নারায়নগঞ্জ একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীর ছাত্র ছিলেন। তার বয়স ছিল (১৫)। একই দিনে এক ঘন্টার ব্যবধানে দুটি দূর্ঘটনায় হাইমচর উপজেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জানাজায়, হাইমচর উপজেলার চরভাঙ্গা গ্রামে কালাচকিদার মোড় সুলতান ডাক্তারের একই বাড়ির রুবেল পাটওয়ারীর একমাত্র ছেলে রাকিব বাড়ির পাশের দোকান থেকে রাস্তা পাড় হওয়ার সময় চাঁদপুর-চরভৈরবী হাইওয়ে সড়কে চরভৈরবী থেকে আসা বাংলাদেশ ট্রান্সফোর্ট এজন্সেী  কাভার্ড ভ্যানটি চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই শিশুটি মারা যায়। স্থানীয় লোকজন গাড়ীর ড্রাইভারকে আটক করে শিশুটি হাইমচর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। আটককৃত ড্রাইভারকে আটক করেন হাইমচর থানা পুলিশ এবং কাভার্ড ভ্যানটি হাইমচর থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়।
অপরদিকে উপজেলার পশ্চিমচরকৃষ্ণপুর গ্রামের সোনা মিয়া বেপারী বাড়িতে বেড়াতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নাহিদ। সন্ধ্যা ৬ টায় তার খালা ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সে নহিদকে ডাকতে থাকে। ভিতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায়। সে তার ননদের ছেলেকে ডেকে এনে ঘরের দরজা ভেঙ্গে দেখেন ঘরের ফ্যানের সাথে গামছা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে জুলে আছে। তিনি তাকে ফাঁস থেকে নামিয়ে হাইমচর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত শিশু ও আত্মহত্যা করা কিশোরের লাস হাইমচর থানা পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।
হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ আশরাফ উদ্দিন জানান, আমরা সড়ক দূর্ঘটনা ও আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পেরেছি। কাভার্ড ভ্যান ও গাড়ির ড্রাইভারকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। লাস দুটিকে ময়নাতদন্ত করার জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুটি ঘটনাই বিস্তারিত ভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।