ঢাকা ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় ১২ ইউনিয়নে নৌকা পেতে ১১৪জন : প্রার্থীরা ছুটছেন ঢাকায়

মো: রাছেল, কচুয়া : অবশেষে পঞ্চম ধাপে ঘোষিত হলো কচুয়া উপজেলা ইউপি নির্বাচনী তফসিল। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পালা শেষ হয়েছে বলে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে খুশি সকলে। তবে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে না গিয়ে সকল চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ছুটেছেন ঢাকা মুখী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারে দ্বারে।

Model Hospital

দলীয় মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। যারা এখনো যাননি তারা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। অবশ্য এ বছর মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকে নির্বাচনে অংশ নিবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

তবে ব্যতিক্রম বিএনপির ক্ষেত্রে। বিএনপি এই নির্বাচন বর্জন করায় দলীয় মনোনয়ন দিচ্ছে না দলটি। তারপরও কচুয়ার কিছু ইউনিয়নে বিএনপির একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকার আভাস পাওয়া যাচ্ছে এবার। আওয়ামী লীগের বহুমুখী কোন্দলকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছেন তারা। তবে কোন্দল আছে বিএনপিতেও।

আগামী ৫ জানুয়ারি কচুয়ার ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নমিনেশন পেপার সংগ্রহ করে মনোনয়ন দাখিল চলবে ডিসেম্বরের ৭ তারিখ পর্যন্ত। বাছাই হবে ৯ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৭ ডিসেম্বরে। এর মধ্যে ১০-১১ ডিসেম্বরে আপিল দায়ের ও ১৩-১৪ ডিসেম্বরে আপিল নিষ্পত্তির পালা শেষ হবে এবং ১৫ ডিসেম্বরে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সুযোগ রেখেছে ইসি।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী মাঠের চেয়ে প্রভাবশালী নেতাদের বাসা অনেক বেশি সরগরম। প্রার্থীদের মধ্যে বেশ তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেছে গত দু’দিন ধরে। জানা গেছে, অধিকাংশ সম্ভাব্য প্রার্থী এখন ঢাকায় নিজ নিজ আবহে চেষ্টা-তদ্বির করছেন। মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কেউ কেউ।

এদিকে বিএনপি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে অংশ না নিলেও অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ক’জন জাতীয় পার্টির প্রার্থীর ও পোস্টার নজরে পড়ে।

কচুয়া উপজেলায় নম্বেভর মাসে সম্পন্ন হয়েছিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমূল বর্ধিত সভার সকল কার্যক্রম ১২টি ইউনিয়নে ১২ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত তৃনমূল নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই বর্ধিত সভা সম্পন্ন হয়। সেই তালিকায় পরে বিভিন্নভাবে যুক্ত হয়েছেন আরও ৩জন। সব মিলিয়ে ১১৪জন মনোনয়ন প্রত্যাশী নৌকা প্রতীক পাবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবেন।
কচুয়ায় স্থানীয় সাংসদ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ ও সাবেক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান (এনবিআর) গোলাম হোসেনের অনুসারী মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ভিড় এবার বিগত যে কোনো বছরের চেয়ে অনেক বেশি। এ পর্যন্ত ১১৪জন প্রার্থীর শোনা যাচ্ছে ১২টি ইউনিয়নে।

এতে ১২টি ইউনিয়নে ১১৪জন প্রার্থী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশা করে নাম প্রস্তাব করেন। তাদের মধ্যে সাচার ইউনিয়নে ৮ জন, পাথৈর ইউনিয়নে ৯জন, বিতারা ইউনিয়নে ১১ জন, পালাখাল মডেল ইউনিয়নে ৫ জন, পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে ৯ জন, উত্তর কচুয়া ইউনিয়নে ১৩জন, সদর দক্ষিন ইউনিয়নে ৮জন, কাদলা ইউনিয়নে ১১৩ জন, কড়ইয়া ইউনিয়নে ১৪জন , গোহট উত্তর ইউনিয়নে ৮জন, গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নে ১১জন, আশ্রাফপুর ইউনিয়নে ৫জন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মতলব দক্ষিণে আগুনে পুড়িয়ে গৃহবধূকে হত্যা, শাশুড়ী গ্রেপ্তার

কচুয়ায় ১২ ইউনিয়নে নৌকা পেতে ১১৪জন : প্রার্থীরা ছুটছেন ঢাকায়

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

মো: রাছেল, কচুয়া : অবশেষে পঞ্চম ধাপে ঘোষিত হলো কচুয়া উপজেলা ইউপি নির্বাচনী তফসিল। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পালা শেষ হয়েছে বলে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে খুশি সকলে। তবে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে না গিয়ে সকল চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ছুটেছেন ঢাকা মুখী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারে দ্বারে।

Model Hospital

দলীয় মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। যারা এখনো যাননি তারা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। অবশ্য এ বছর মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকে নির্বাচনে অংশ নিবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

তবে ব্যতিক্রম বিএনপির ক্ষেত্রে। বিএনপি এই নির্বাচন বর্জন করায় দলীয় মনোনয়ন দিচ্ছে না দলটি। তারপরও কচুয়ার কিছু ইউনিয়নে বিএনপির একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকার আভাস পাওয়া যাচ্ছে এবার। আওয়ামী লীগের বহুমুখী কোন্দলকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছেন তারা। তবে কোন্দল আছে বিএনপিতেও।

আগামী ৫ জানুয়ারি কচুয়ার ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নমিনেশন পেপার সংগ্রহ করে মনোনয়ন দাখিল চলবে ডিসেম্বরের ৭ তারিখ পর্যন্ত। বাছাই হবে ৯ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৭ ডিসেম্বরে। এর মধ্যে ১০-১১ ডিসেম্বরে আপিল দায়ের ও ১৩-১৪ ডিসেম্বরে আপিল নিষ্পত্তির পালা শেষ হবে এবং ১৫ ডিসেম্বরে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সুযোগ রেখেছে ইসি।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী মাঠের চেয়ে প্রভাবশালী নেতাদের বাসা অনেক বেশি সরগরম। প্রার্থীদের মধ্যে বেশ তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেছে গত দু’দিন ধরে। জানা গেছে, অধিকাংশ সম্ভাব্য প্রার্থী এখন ঢাকায় নিজ নিজ আবহে চেষ্টা-তদ্বির করছেন। মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কেউ কেউ।

এদিকে বিএনপি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে অংশ না নিলেও অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ক’জন জাতীয় পার্টির প্রার্থীর ও পোস্টার নজরে পড়ে।

কচুয়া উপজেলায় নম্বেভর মাসে সম্পন্ন হয়েছিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমূল বর্ধিত সভার সকল কার্যক্রম ১২টি ইউনিয়নে ১২ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত তৃনমূল নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই বর্ধিত সভা সম্পন্ন হয়। সেই তালিকায় পরে বিভিন্নভাবে যুক্ত হয়েছেন আরও ৩জন। সব মিলিয়ে ১১৪জন মনোনয়ন প্রত্যাশী নৌকা প্রতীক পাবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবেন।
কচুয়ায় স্থানীয় সাংসদ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ ও সাবেক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান (এনবিআর) গোলাম হোসেনের অনুসারী মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ভিড় এবার বিগত যে কোনো বছরের চেয়ে অনেক বেশি। এ পর্যন্ত ১১৪জন প্রার্থীর শোনা যাচ্ছে ১২টি ইউনিয়নে।

এতে ১২টি ইউনিয়নে ১১৪জন প্রার্থী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশা করে নাম প্রস্তাব করেন। তাদের মধ্যে সাচার ইউনিয়নে ৮ জন, পাথৈর ইউনিয়নে ৯জন, বিতারা ইউনিয়নে ১১ জন, পালাখাল মডেল ইউনিয়নে ৫ জন, পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে ৯ জন, উত্তর কচুয়া ইউনিয়নে ১৩জন, সদর দক্ষিন ইউনিয়নে ৮জন, কাদলা ইউনিয়নে ১১৩ জন, কড়ইয়া ইউনিয়নে ১৪জন , গোহট উত্তর ইউনিয়নে ৮জন, গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নে ১১জন, আশ্রাফপুর ইউনিয়নে ৫জন।