ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তির ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক দর্জির আবেগঘন স্ট্যাটাস

প্রিয় চাঁদপুর রিপোর্ট : সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন চলমান রয়েছে। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ২য় ধাপের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ৪র্থ ও ৫ম ধাপের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামি ২৬ ডিসেম্বর ৪র্থ ধাপের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।
চলমান ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত গত ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আসীন থাকা অনেক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দলের কেন্দ্রিয় মনোনয়ন বোর্ড নৌকা প্রতিকের জন্য মনোনীত করে’নি। দলের প্রতিক নৌকার জন্য মনোনীত না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও কষ্টের কথা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেছেন। এমন একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের ওমর ফারুক দর্জি।
তিনি চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের একজন প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু নৌকা প্রতিক চেয়েও না পাওয়ায় আজ ২৭ নভেম্বর তার ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে সমকালীন রাজনীতি ও নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়ার বিষয়ে নিজ ইউনিয়ন টামটা উত্তর ইউনিয়নবাসির মতামত চেয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। তার সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকের উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো :-
‘প্রিয় টামটা উত্তর ইউনিয়নবাসী আপনাদের সকলকে সালাম জানাচ্ছি। 
আমি আপনাদের সেই ফারুক দর্জি যে তার বাবার স্নেহে পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠলেও আপনাদের ফারুক দর্জি হয়ে উঠেছিল, আপনাদেরই পরম মমতায় আপনাদেরই কোন একসময়ের সাহসী ভূমিকায়। বাবা নামক মানুষটার অনেক অবদান প্রত্যেকের জীবনে। আমিও তার ব্যাতিক্রম নই। আমার বাবা এখন মহান আল্লাহ্ তায়ালার দরবারে, কিন্তু এই বাবা শব্দটাকে কেন্দ্রীয় নামক দরবারে পৌঁছালে যে সেটা যোগ্যতায় পরিনত হতে পারে তা ভুলেও চিন্তা-ই করিনি। কারন আমার বাবারও তো এই অঞ্চলের রাজনীতিতে সমৃদ্ধশালী একটা অতীত ছিল। যেই অতীতে বাবা তার সকল পরিশ্রম দিয়ে তার প্রানের সংগঠনটি সমৃদ্ধ থাকুক চেয়েছিল, পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে গুটি কয়েকজন মিলে প্রিয় ছোট ভাইকে (হুমায়ূন কবির মজুমদারকে) চেয়ারম্যান বানিয়ে লম্বা একটা সময় ধরে সহচর হিসেবে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিল। হেঁ দিয়েছে কিন্তু চায়নি। ইউপি নির্বাচন করার মত সকল যোগ্যতা থাকার পরও প্রিয় ছোট ভাইকে আহত করে ২৯ বছরের কোন টার্মেই ঘুণাক্ষরেও নিজে নির্বাচন করতে চায়নি, এবং সেটা আমৃত্যু বজায় ছিল (আশা করি অস্বীকার করবেন না মাঝি মহোদয়)।
বাবা শুনেছি তুমি প্রিয় ছোট ভাইয়ের মঞ্চ মজবুত রাখতে নিজ মাথায় করে বাজার থেকে চৌকি ময়দানে নিয়ে গিয়েছ, এতটুকু ইগো প্রবলেমে তুমি ভুগোনি। যাদের সাথে তুমি প্রান খুলে পথ চলেছ তাদের সাথে আবার কিসের ইগো। কিন্তু বাবা তুমি পরপার থেকে দেখ কিনা জানিনা তোমার সেই সহচরদের, স্নেহভাজনদের আমার প্রতি সে কি রাগ। আমি কেন ভুল (ওনাদের দৃষ্টিতে) করলাম, কেন সমাজ উন্নয়নে তোমাদের কাজটা আমারও কাজ ভাবলাম, মূলত কেন মঞ্চে দাঁড়াতে গেলাম। আস্তে আস্তে বুজলাম এই মঞ্চটা তুমি চাইলেও পেতেনা বাবা, দিতনা তোমাকে। কিন্তু আমি তো তুমি নই বাবা। আমি তোমার আদরের ফারুক থেকে তোমার প্রিয় এই এলাকাবাসীর সাহসে সযত্নে গড়া ফারুক দর্জি। তোমার সহচর, স্নেহভাজনরা আমাকে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকাতে ক্ষোভের অনলে যেভাবে পুড়িয়েছে ওপারে থাকাতে তা তুমি প্রত্যক্ষ করনি বাবা।
অবশ্য তুমি জীবিত থাকলে তোমার প্রিয় ছোট ভাইয়ের সাথে মঞ্চে দাঁড়ানোর স্পর্ধা দেখানোর অপরাধে মনে হয় তুমিও আমার উপর রেগে থাকতে। তবে বাবা, আমার সম্মানীয় সকল ক্ষুব্ধদের ক্ষোভের অনল থেকে এখনও বেঁচে আছি উপরে আল্লাহ্ আর এই জমিনে একজন কিংবদন্তী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের ছায়ার শীতলতায়। এবার কি আছে এই ললাটে জানিনা কারন মঞ্চে অবিচল থাকতে তোমার প্রিয় প্রতীক তোমাকে ব্যাবহার না করাতে পাইনি মনে হয়। কেন আমি তোমাকে ব্যাবহার করবো বাবা? তুমিই তো আমাকে নিজের যোগ্যতায় আত্মপরিচয় খুঁজতে শিখিয়েছ, পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছ। তুমি কি করেছ সেটা তোমার প্রিয় সেই মানুষগুলো যেহেতু ভুলে গেছে আমি ও ভুলে গেছি বাবা। তারাতো দেয়-ই নি বরং এলাকাবাসীর দেওয়া উপহার কেড়ে নিতে চায়। তারা কিছু না দিতে চাইলেও তোমার দোয়া তো আমার সাথে আছে বাবা, আছে এলাকাবাসীর দোয়া। বাবা এবার অন্তত রাগ করার সুযোগ নেই তোমার কারন ঐ একই পরিবার হলেও তোমার সেই প্রিয় ছোট ভাইয়ের সাথে স্পর্ধা দেখাচ্ছিনা। তোমার প্রিয় ছোট ভাইও মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন। ওপারে মহান আল্লাহ্ তোমাদের দু’জনকে সর্বোচ্চ ভালো রাখুক। বাবা যেহেতু তোমার প্রিয় প্রতীক আমার এবার অগ্রাধিকার থাকার পরও আমাকে দিবেনা সেহেতু এলাকাবাসীর মতামত এবং অনুমতিই আমার শেষ আশ্রয়স্থল।
হে প্রিয় এলাকাবাসী, হে প্রিয় টামটা উত্তর ইউনিয়ন বাসী গত নির্বাচনে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আপনারা সর্বোচ্চ সমর্থন দিয়েছেন। দায়িত্ব পালন করেছি আপনাদের সামনে, যদি প্রয়োজনীয় সাব্যস্ত হয়ে থাকি তাহলে আপনাদের মনোনীত প্রতীকে নির্বাচনে থাকবো কিনা সিদ্ধান্ত এবার আপনাদের। আপনারা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে চাইলে মঞ্চে অবিচল থাকার লড়াই চালিয়ে যাবো আর না চাইলে মঞ্চ ছেড়ে দিবো। শেষ পর্যন্ত জনগনের ফারুক দর্জি জনগনের দরজায় জনমতের জন্য দাঁড়িয়ে। প্রিয় টামটা উঃ ইউনিয়নবাসী সিদ্ধান্ত/মতামত দিবেন….. প্লিজ…’
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহরাস্তিতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-২

শাহরাস্তির ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক দর্জির আবেগঘন স্ট্যাটাস

আপডেট সময় : ০৫:৪১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১
প্রিয় চাঁদপুর রিপোর্ট : সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন চলমান রয়েছে। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ২য় ধাপের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ৪র্থ ও ৫ম ধাপের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামি ২৬ ডিসেম্বর ৪র্থ ধাপের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।
চলমান ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত গত ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আসীন থাকা অনেক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দলের কেন্দ্রিয় মনোনয়ন বোর্ড নৌকা প্রতিকের জন্য মনোনীত করে’নি। দলের প্রতিক নৌকার জন্য মনোনীত না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও কষ্টের কথা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেছেন। এমন একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের ওমর ফারুক দর্জি।
তিনি চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের একজন প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু নৌকা প্রতিক চেয়েও না পাওয়ায় আজ ২৭ নভেম্বর তার ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে সমকালীন রাজনীতি ও নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়ার বিষয়ে নিজ ইউনিয়ন টামটা উত্তর ইউনিয়নবাসির মতামত চেয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। তার সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকের উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো :-
‘প্রিয় টামটা উত্তর ইউনিয়নবাসী আপনাদের সকলকে সালাম জানাচ্ছি। 
আমি আপনাদের সেই ফারুক দর্জি যে তার বাবার স্নেহে পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠলেও আপনাদের ফারুক দর্জি হয়ে উঠেছিল, আপনাদেরই পরম মমতায় আপনাদেরই কোন একসময়ের সাহসী ভূমিকায়। বাবা নামক মানুষটার অনেক অবদান প্রত্যেকের জীবনে। আমিও তার ব্যাতিক্রম নই। আমার বাবা এখন মহান আল্লাহ্ তায়ালার দরবারে, কিন্তু এই বাবা শব্দটাকে কেন্দ্রীয় নামক দরবারে পৌঁছালে যে সেটা যোগ্যতায় পরিনত হতে পারে তা ভুলেও চিন্তা-ই করিনি। কারন আমার বাবারও তো এই অঞ্চলের রাজনীতিতে সমৃদ্ধশালী একটা অতীত ছিল। যেই অতীতে বাবা তার সকল পরিশ্রম দিয়ে তার প্রানের সংগঠনটি সমৃদ্ধ থাকুক চেয়েছিল, পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে গুটি কয়েকজন মিলে প্রিয় ছোট ভাইকে (হুমায়ূন কবির মজুমদারকে) চেয়ারম্যান বানিয়ে লম্বা একটা সময় ধরে সহচর হিসেবে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিল। হেঁ দিয়েছে কিন্তু চায়নি। ইউপি নির্বাচন করার মত সকল যোগ্যতা থাকার পরও প্রিয় ছোট ভাইকে আহত করে ২৯ বছরের কোন টার্মেই ঘুণাক্ষরেও নিজে নির্বাচন করতে চায়নি, এবং সেটা আমৃত্যু বজায় ছিল (আশা করি অস্বীকার করবেন না মাঝি মহোদয়)।
বাবা শুনেছি তুমি প্রিয় ছোট ভাইয়ের মঞ্চ মজবুত রাখতে নিজ মাথায় করে বাজার থেকে চৌকি ময়দানে নিয়ে গিয়েছ, এতটুকু ইগো প্রবলেমে তুমি ভুগোনি। যাদের সাথে তুমি প্রান খুলে পথ চলেছ তাদের সাথে আবার কিসের ইগো। কিন্তু বাবা তুমি পরপার থেকে দেখ কিনা জানিনা তোমার সেই সহচরদের, স্নেহভাজনদের আমার প্রতি সে কি রাগ। আমি কেন ভুল (ওনাদের দৃষ্টিতে) করলাম, কেন সমাজ উন্নয়নে তোমাদের কাজটা আমারও কাজ ভাবলাম, মূলত কেন মঞ্চে দাঁড়াতে গেলাম। আস্তে আস্তে বুজলাম এই মঞ্চটা তুমি চাইলেও পেতেনা বাবা, দিতনা তোমাকে। কিন্তু আমি তো তুমি নই বাবা। আমি তোমার আদরের ফারুক থেকে তোমার প্রিয় এই এলাকাবাসীর সাহসে সযত্নে গড়া ফারুক দর্জি। তোমার সহচর, স্নেহভাজনরা আমাকে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকাতে ক্ষোভের অনলে যেভাবে পুড়িয়েছে ওপারে থাকাতে তা তুমি প্রত্যক্ষ করনি বাবা।
অবশ্য তুমি জীবিত থাকলে তোমার প্রিয় ছোট ভাইয়ের সাথে মঞ্চে দাঁড়ানোর স্পর্ধা দেখানোর অপরাধে মনে হয় তুমিও আমার উপর রেগে থাকতে। তবে বাবা, আমার সম্মানীয় সকল ক্ষুব্ধদের ক্ষোভের অনল থেকে এখনও বেঁচে আছি উপরে আল্লাহ্ আর এই জমিনে একজন কিংবদন্তী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের ছায়ার শীতলতায়। এবার কি আছে এই ললাটে জানিনা কারন মঞ্চে অবিচল থাকতে তোমার প্রিয় প্রতীক তোমাকে ব্যাবহার না করাতে পাইনি মনে হয়। কেন আমি তোমাকে ব্যাবহার করবো বাবা? তুমিই তো আমাকে নিজের যোগ্যতায় আত্মপরিচয় খুঁজতে শিখিয়েছ, পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছ। তুমি কি করেছ সেটা তোমার প্রিয় সেই মানুষগুলো যেহেতু ভুলে গেছে আমি ও ভুলে গেছি বাবা। তারাতো দেয়-ই নি বরং এলাকাবাসীর দেওয়া উপহার কেড়ে নিতে চায়। তারা কিছু না দিতে চাইলেও তোমার দোয়া তো আমার সাথে আছে বাবা, আছে এলাকাবাসীর দোয়া। বাবা এবার অন্তত রাগ করার সুযোগ নেই তোমার কারন ঐ একই পরিবার হলেও তোমার সেই প্রিয় ছোট ভাইয়ের সাথে স্পর্ধা দেখাচ্ছিনা। তোমার প্রিয় ছোট ভাইও মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন। ওপারে মহান আল্লাহ্ তোমাদের দু’জনকে সর্বোচ্চ ভালো রাখুক। বাবা যেহেতু তোমার প্রিয় প্রতীক আমার এবার অগ্রাধিকার থাকার পরও আমাকে দিবেনা সেহেতু এলাকাবাসীর মতামত এবং অনুমতিই আমার শেষ আশ্রয়স্থল।
হে প্রিয় এলাকাবাসী, হে প্রিয় টামটা উত্তর ইউনিয়ন বাসী গত নির্বাচনে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আপনারা সর্বোচ্চ সমর্থন দিয়েছেন। দায়িত্ব পালন করেছি আপনাদের সামনে, যদি প্রয়োজনীয় সাব্যস্ত হয়ে থাকি তাহলে আপনাদের মনোনীত প্রতীকে নির্বাচনে থাকবো কিনা সিদ্ধান্ত এবার আপনাদের। আপনারা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে চাইলে মঞ্চে অবিচল থাকার লড়াই চালিয়ে যাবো আর না চাইলে মঞ্চ ছেড়ে দিবো। শেষ পর্যন্ত জনগনের ফারুক দর্জি জনগনের দরজায় জনমতের জন্য দাঁড়িয়ে। প্রিয় টামটা উঃ ইউনিয়নবাসী সিদ্ধান্ত/মতামত দিবেন….. প্লিজ…’